আকাশ পথে রাজশাহী থেকে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগ ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে টিকিট মূল্য আরো কমানো হলে যাত্রীরা আকাশ পথটি বেশি ব্যবহার করতে পারবেন বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।
জানা গেছে, বাংলাদেশ বিমান লোকসানের মুখে এই রুটে এর সব ফ্লাইট গুটিয়ে নেয়ার পর বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট চালাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি শুধু রাজশাহী-ঢাকা নয় সৈয়দপুর হয়েও ঢাকায় ফ্লাইট চালাচ্ছে। ২০১১ সালের আগস্টে উদ্বোধন হওয়ার পর প্রথমে সপ্তাহে একদিন পরে এটি বাড়িয়ে এখন সপ্তাহে ৩দিন করে ফ্লাইট চালাচ্ছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এর এজিএম কামরুল ইসলাম এ প্রতি-বেদককে জানান, তারা এরই মধ্যে যাত্রীদের কাছ থেকে বেশ সারা পেয়েছেন এবং এ কারণে ফ্লাইট সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি জানান, ইউনাইটেড এয়ার-ওয়েজ এই রুটটিতে বর্তমানে তিন ধরনের টিকিট প্যাকেজ চালু রেখেছে। এর মধ্যে কুইন ক্লাশ ৩,৫০০, সুগার ক্লাশ ৪,০০০ টাকা এবং ইউনাইটেড ক্লাশ ৪,৫০০টাকা। বর্তমানে মোট সিটের শতকরা ৮৫ ভাগেরও বেশি যাত্রী এই রুটে তারা বহন করছেন বলে জানান তিনি।
টিকিট মূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য রুটের চেয়ে এই রুটে তার কোম্পানী অনেক সাবসিডাউজ রেটে যাত্রী বহন করছে শুধু মাত্র রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলকে এয়ার কানেকটিভিটির আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে। তিনি বলেন, এভাবে হয় তো ফ্লাইটগুলো লাভ-জনক হবে। উদাহারণ দিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম কিংবা সিলেট রুটে প্রায় একই এয়ারটাইম ব্যয় হলেও রাজশাহী-ঢাকা রুটের চেয়ে প্রায় দিগুন ভাড়া নেয়া হচ্ছে।
ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের একটি সূত্র জানিয়েছে এই রুটে তারা ফ্লাইট সংখ্যা আরও বাড়াবে। বর্তমানে তারা ৩৭ সিটের এয়ারক্রাফট দিয়ে যাত্রী বহন করছে। কিন’ তাদের পরিকল্পনা রয়েছে বড় সাইজের এয়ারক্রাফট চালু করার।
রাজশাহী থেকে ঢাকায় আকাশ পথে ভ্রমন করেন এমন ব্যবসায়ী, রাজশাহীর সুধী সমাজ মনে করেন এই রুটে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বড় আকারের এয়ারক্রাফট চালু করে টিকিট মূল্য আরও কমাতে পারে। এতে যাত্রী সংখ্যা যেমন বাড়বে তেমনি কোম্পানীও ব্যবসায়িকভাবে লাভজনক অবস’ায় যেতে পারবে।
সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযানের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান খান জানান, বিমান ভাড়া আরো কম হলে রাজশাহী অঞ্চলের অনেক সংকটাপন্ন রোগীই রাজধানীতে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারবে। শুধুমাত্র ঢাকায় দ্রুততম সময়ে না পৌছানোর ফলে অনেক মানুষই মারা যায়। যদি আকাশ পথের এই সুযোগ গ্রহণ করা যায় তবে অনেকে অনাকাংখিত মৃত্যুর হাত থেকে বেচে যেতে পারবে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ বিমান এর সব ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়। এর আগে বেসরকারী এয়ারলাইনার জিএমজি বন্ধ করে ২০০৩ সালে। সেই থেকে ৬০০০ ফিট রানওয়ে সম্বলিত রাজশাহী শাহ মখদুম বিমানবন্দর পরিত্যক্ত অবস’ায় থাকে। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এর ফ্লাইট চালুর আগে গ্যালাক্সি ফ্লাইং একাডেমির প্রশিক্ষণ বিমানগুলোও এই রানওয়ে ব্যবহার শুরু করে।
পাতাটি ২৬ বার প্রদর্শিত হয়েছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ বিমান লোকসানের মুখে এই রুটে এর সব ফ্লাইট গুটিয়ে নেয়ার পর বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট চালাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি শুধু রাজশাহী-ঢাকা নয় সৈয়দপুর হয়েও ঢাকায় ফ্লাইট চালাচ্ছে। ২০১১ সালের আগস্টে উদ্বোধন হওয়ার পর প্রথমে সপ্তাহে একদিন পরে এটি বাড়িয়ে এখন সপ্তাহে ৩দিন করে ফ্লাইট চালাচ্ছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এর এজিএম কামরুল ইসলাম এ প্রতি-বেদককে জানান, তারা এরই মধ্যে যাত্রীদের কাছ থেকে বেশ সারা পেয়েছেন এবং এ কারণে ফ্লাইট সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি জানান, ইউনাইটেড এয়ার-ওয়েজ এই রুটটিতে বর্তমানে তিন ধরনের টিকিট প্যাকেজ চালু রেখেছে। এর মধ্যে কুইন ক্লাশ ৩,৫০০, সুগার ক্লাশ ৪,০০০ টাকা এবং ইউনাইটেড ক্লাশ ৪,৫০০টাকা। বর্তমানে মোট সিটের শতকরা ৮৫ ভাগেরও বেশি যাত্রী এই রুটে তারা বহন করছেন বলে জানান তিনি।
টিকিট মূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য রুটের চেয়ে এই রুটে তার কোম্পানী অনেক সাবসিডাউজ রেটে যাত্রী বহন করছে শুধু মাত্র রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলকে এয়ার কানেকটিভিটির আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে। তিনি বলেন, এভাবে হয় তো ফ্লাইটগুলো লাভ-জনক হবে। উদাহারণ দিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম কিংবা সিলেট রুটে প্রায় একই এয়ারটাইম ব্যয় হলেও রাজশাহী-ঢাকা রুটের চেয়ে প্রায় দিগুন ভাড়া নেয়া হচ্ছে।
ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের একটি সূত্র জানিয়েছে এই রুটে তারা ফ্লাইট সংখ্যা আরও বাড়াবে। বর্তমানে তারা ৩৭ সিটের এয়ারক্রাফট দিয়ে যাত্রী বহন করছে। কিন’ তাদের পরিকল্পনা রয়েছে বড় সাইজের এয়ারক্রাফট চালু করার।
রাজশাহী থেকে ঢাকায় আকাশ পথে ভ্রমন করেন এমন ব্যবসায়ী, রাজশাহীর সুধী সমাজ মনে করেন এই রুটে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বড় আকারের এয়ারক্রাফট চালু করে টিকিট মূল্য আরও কমাতে পারে। এতে যাত্রী সংখ্যা যেমন বাড়বে তেমনি কোম্পানীও ব্যবসায়িকভাবে লাভজনক অবস’ায় যেতে পারবে।
সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযানের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান খান জানান, বিমান ভাড়া আরো কম হলে রাজশাহী অঞ্চলের অনেক সংকটাপন্ন রোগীই রাজধানীতে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারবে। শুধুমাত্র ঢাকায় দ্রুততম সময়ে না পৌছানোর ফলে অনেক মানুষই মারা যায়। যদি আকাশ পথের এই সুযোগ গ্রহণ করা যায় তবে অনেকে অনাকাংখিত মৃত্যুর হাত থেকে বেচে যেতে পারবে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ বিমান এর সব ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়। এর আগে বেসরকারী এয়ারলাইনার জিএমজি বন্ধ করে ২০০৩ সালে। সেই থেকে ৬০০০ ফিট রানওয়ে সম্বলিত রাজশাহী শাহ মখদুম বিমানবন্দর পরিত্যক্ত অবস’ায় থাকে। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এর ফ্লাইট চালুর আগে গ্যালাক্সি ফ্লাইং একাডেমির প্রশিক্ষণ বিমানগুলোও এই রানওয়ে ব্যবহার শুরু করে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন