বিবিসি
কিউরিসিটি রোবটের মাস্তুলক্যামেরা (মাস্টক্যাম) মঙ্গলপৃষ্ঠের রঙিন ছবি পৃথিবীতে পাঠানো শুরু করেছে। প্রথম ছবিটি ক্যালিফোর্নিয়ার প্যাসাডেনায় নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরির স্ক্রিনে ভেসে ওঠে গত বৃহস্পতিবার সকালে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, চারপাশে লোহিত গ্রহটির বিস্তীর্ণ লাল শুষ্কভূমি এবং পাহাড় পর্বত। খুব শিগগির এসব দুর্গম এলাকায়ও অনুসন্ধান চালাবে কিউরিসিটি। গত সোমবার মঙ্গলের মাটি স্পর্শ করার পর বৃহস্পতিবারই প্রথম রঙিন ছবি পাঠালো কিউরিসিটি।
এর আগে সব সাদা-কালো ছবি পাঠিয়েছে সে। আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ গেইল কার্টারের ৩৬০ ডিগ্রি আনুভূমিক দৃশ্যপটের পরিষ্কার ছবি পাঠিয়েছে রোবটটির উচ্চক্ষমতার ক্যামেরা। কিউরিসিটির মাস্তুলে যুক্ত ক্যামেরাটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মাইক ম্যালিন বলেছেন, ‘এ ছবিটি সম্ভবত নিখুঁতভাবে নির্ধারিত স্থানের নয়। তবে আমরা আশা করছি এ ধরনের আরও ছবি আসবে।’ মঙ্গলে বিকালে সূর্যের আলো কম থাকায় ছবির উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেখতে হচ্ছে। তবে এর রঙের কোনো বিকৃতি ঘটেনি বলে জানায় নাসা। মঙ্গল মিশনের ব্যবস্থাপক মাইকেল ওয়াটকিনস বৃহস্পতিবার বলেন, ‘কিউরিসিটি মঙ্গলের মাটিতে তার তৃতীয় দিনের মতো বিরামহীনভাবে কাজ চালাচ্ছে।’
উল্লেখ্য, নাসার এ মিশনের প্রধান লক্ষ্য, সৌরজগতে পৃথিবীর কাছাকাছি এ গ্রহে কখনও প্রাণ ধারণের উপযুক্ত পরিবেশ ছিল কিনা তা পরীক্ষা করা। আর এ পরীক্ষার জন্য মূল টার্গেট হিসেবে নেয়া হয়েছে ১৮ হাজার ফুট উচ্চতার পর্বত মাউন্ট শার্প।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এ পর্বতের বিভিন্ন স্তরের শিলা পরীক্ষা করে মঙ্গলের ইতিহাসের কালানুক্রম জানতে সক্ষম হবেন তারা। এ মিশন চলবে টানা দুই বছর।
এর আগে সব সাদা-কালো ছবি পাঠিয়েছে সে। আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ গেইল কার্টারের ৩৬০ ডিগ্রি আনুভূমিক দৃশ্যপটের পরিষ্কার ছবি পাঠিয়েছে রোবটটির উচ্চক্ষমতার ক্যামেরা। কিউরিসিটির মাস্তুলে যুক্ত ক্যামেরাটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মাইক ম্যালিন বলেছেন, ‘এ ছবিটি সম্ভবত নিখুঁতভাবে নির্ধারিত স্থানের নয়। তবে আমরা আশা করছি এ ধরনের আরও ছবি আসবে।’ মঙ্গলে বিকালে সূর্যের আলো কম থাকায় ছবির উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেখতে হচ্ছে। তবে এর রঙের কোনো বিকৃতি ঘটেনি বলে জানায় নাসা। মঙ্গল মিশনের ব্যবস্থাপক মাইকেল ওয়াটকিনস বৃহস্পতিবার বলেন, ‘কিউরিসিটি মঙ্গলের মাটিতে তার তৃতীয় দিনের মতো বিরামহীনভাবে কাজ চালাচ্ছে।’
উল্লেখ্য, নাসার এ মিশনের প্রধান লক্ষ্য, সৌরজগতে পৃথিবীর কাছাকাছি এ গ্রহে কখনও প্রাণ ধারণের উপযুক্ত পরিবেশ ছিল কিনা তা পরীক্ষা করা। আর এ পরীক্ষার জন্য মূল টার্গেট হিসেবে নেয়া হয়েছে ১৮ হাজার ফুট উচ্চতার পর্বত মাউন্ট শার্প।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এ পর্বতের বিভিন্ন স্তরের শিলা পরীক্ষা করে মঙ্গলের ইতিহাসের কালানুক্রম জানতে সক্ষম হবেন তারা। এ মিশন চলবে টানা দুই বছর।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন