দেশ নিউজ:
পবিত্র রমজান মাসে কোরআনে কারিম অবতীর্ণ হয়েছে। আর এই কোরআনের ফজিলতের কারণেই রমজানের এত বেশি গুরুত্ব। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, রমজান মাস এলেই কেবল কোরআনের মাহাত্ম্য নিয়ে আমরা কথা বলি, আলোচনা করি কিংবা কোরআন চর্চা করি। বাকি মাসগুলোতে কোরআনে কারিমকে ভুলে যাই। আর রমজান এলে আমরা
নিজেদেরকে সংযত রাখার চেষ্টা করি। রমজান চলে গেলে পুনরায় উদ্ধত হয়ে পড়ি। ফলে এগারো মাস কাউকে ভুলে থেকে একটি মাত্র মাসে তার সেবা, খেদমত করলে সে যে কতটা তুষ্ট হবে- তা ভেবে দেখার বিষয়। তাই কোরআন তেলাওয়াত করতে হবে নিয়মিত। অর্থসহ পড়তে পারলে তো ভালো। আল্লাহ তায়ালা কোরআনে কারিমকে যেহেতু একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে দান করেছেন, সেজন্য এর অর্থ জানা অপরিহার্য।
ইসলাম আমাদের যে শিষ্টাচার শেখায়, আমাদের যে সুন্দর-সুশৃঙ্খল পথের দিশা দেয়; সবধরনের জাহেলিয়াত, সবধরনের খারাপ দিক থেকে মুক্তি দিয়ে অপার সৌন্দর্য আর প্রশান্ত জীবনের দিক-নির্দেশনা দেয়; সে সবই কোরআনের শিক্ষা। আর কোরআনের শিক্ষা মানেই হলো সরাসরি আল্লাহ প্রদত্ত শিক্ষা। তাই এই শিক্ষা ও উপলব্ধিগুলো আত্মস্থ করার জন্য রোজা রাখার পাশাপাশি বেশি বেশি কোরআন পড়া খুবই জরুরি।
যেহেতু কোরআনে কারিম আমাদের জীবনের সঠিক গাইডলাইন দেয়, সেজন্য অর্থ বুঝে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। আজকাল বিদগ্ধ আলেমদের কল্যাণে বহু অনূদিত তাফসির গ্রন্থ পাওয়া যায়। যারা পড়তে জানেন, তারা কিনে নিয়ে নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।
সকাল বেলা, কিংবা রাতে অথবা সেহরির আগে-পরে যেকোনো একটা সুবিধাজনক সময়ে তাফসির চর্চার কাজ করতে পারেন। মুসলমানদের সবার ঘরেই কোরআনে কারিম থাকা উচিত। তবে কোরআনে কারিমকে বুক শেলফে সাজিয়ে রেখে লাভ নেই। অনুবাদসহ বাংলা তাফসির গ্রন্থ কিনে ঘরের শোভা বাড়িয়েও লাভ নেই। তাফসিরে কোরআন ঘরের শোভা নয়_ এটা মনের শোভা, আত্মার শোভা। তাই কোরআন শরিফ এবং তাফসিরগুলোকে বুক শেলফ থেকে নামিয়ে পড়ার টেবিলে আনতে হবে। নিয়মিত পড়তে হবে।
হজরত রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, যারা কোরআন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে কোরআন তেলাওয়াত করবে, তারা নৈকট্যপূর্ণ ফেরেশতাদের সঙ্গে জান্নাতে থাকবে। শাবান মাসের শেষ দিনে হজরত রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, রমজান মাসে একটি ফরজ আদায় করা হলে অন্য মাসে ৭০টি ফরজ আদায়ের সমান সওয়াব পাওয়া যাবে। এছাড়া একটি নফল ইবাদত করলে অন্য মাসের একটি ফরজ ইবাদতের সমান সওয়াব পাওয়া যাবে।
সুতরাং হাদিসের আলোকে আমরা বলতে পারি, কোরআনে কারিমের তেলাওয়াত অন্যান্য মাসে করলে যে সওয়াব হবে, রমজানুল মোবারকে তেলাওয়াত করলে অনেক অনেক বেশি ফজিলত ও সওয়াব পাওয়া যাবে। পবিত্র কোরআনসহ অন্যান্য আসমানি গ্রন্থ এই রমজানেই নাজিল হয়েছে। তাই অন্যান্য মাসের তুলনায় রমজানুল মোবারকে কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত অত্যন্ত বেশি।
আসলে কোরআন শরিফ কোনো জাদু-মন্ত্র বা তাবিজ-কবজের বই নয়। যদিও কোরআনের রয়েছে অপরিসীম অলৌকিক ক্ষমতা। আল্লাহ নিজেই বলেছেন, কোরআনে রয়েছে মানুষের আরোগ্যের ব্যবস্থা। অর্থাৎ পবিত্র কোরআন মানুষের মানসিক ও আত্মিক রোগমুক্ত করে। কোরআনের মাধ্যমে মানুষ বিভিন্নভাবে উপকৃত হবে-এতে কোনো সন্দেহ নেই।
আল্লাহ কোরআনকে দিয়েছেন মানুষের জীবন বিধান হিসেবে। মানুষের জীবনের যেকোনো সমস্যার সমাধান কোরআনে রয়েছে। তাই কোরআনকে বুঝতে হবে। সে অনুযায়ী আমাদের জীবনকে সাজাতে হবে। মনে রাখতে হবে, মুসলমানদের জীবন দুটি। একটি ইহকালীন, অপরটি পরকালীন। এই দুই জীবনেরই মুক্তির সনদ হচ্ছে কোরআন। তাই ইহকালীন শান্তি এবং পরকালীন মুক্তির জন্য আমাদের উচিত বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা।
আমাদের সন্তানদের অনেকেই কোরআন পড়তে জানে না। এটা দুঃখজনক কথা। মুসলমানের এই আত্মবিস্মৃতি কাম্য নয়। আর কোরআন যে শুধু রমজানেই পড়তে হবে-এমনও নয়। মুসলমানরা সব সময় আল্লাহর কিতাবের পাঠক ও ধারক-বাহক। এই সত্য উপলব্ধিটা অনুধাবন করার শক্তি আল্লাহ আমাদের দান করুন।
পবিত্র রমজান মাসে কোরআনে কারিম অবতীর্ণ হয়েছে। আর এই কোরআনের ফজিলতের কারণেই রমজানের এত বেশি গুরুত্ব। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, রমজান মাস এলেই কেবল কোরআনের মাহাত্ম্য নিয়ে আমরা কথা বলি, আলোচনা করি কিংবা কোরআন চর্চা করি। বাকি মাসগুলোতে কোরআনে কারিমকে ভুলে যাই। আর রমজান এলে আমরা
নিজেদেরকে সংযত রাখার চেষ্টা করি। রমজান চলে গেলে পুনরায় উদ্ধত হয়ে পড়ি। ফলে এগারো মাস কাউকে ভুলে থেকে একটি মাত্র মাসে তার সেবা, খেদমত করলে সে যে কতটা তুষ্ট হবে- তা ভেবে দেখার বিষয়। তাই কোরআন তেলাওয়াত করতে হবে নিয়মিত। অর্থসহ পড়তে পারলে তো ভালো। আল্লাহ তায়ালা কোরআনে কারিমকে যেহেতু একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে দান করেছেন, সেজন্য এর অর্থ জানা অপরিহার্য।
ইসলাম আমাদের যে শিষ্টাচার শেখায়, আমাদের যে সুন্দর-সুশৃঙ্খল পথের দিশা দেয়; সবধরনের জাহেলিয়াত, সবধরনের খারাপ দিক থেকে মুক্তি দিয়ে অপার সৌন্দর্য আর প্রশান্ত জীবনের দিক-নির্দেশনা দেয়; সে সবই কোরআনের শিক্ষা। আর কোরআনের শিক্ষা মানেই হলো সরাসরি আল্লাহ প্রদত্ত শিক্ষা। তাই এই শিক্ষা ও উপলব্ধিগুলো আত্মস্থ করার জন্য রোজা রাখার পাশাপাশি বেশি বেশি কোরআন পড়া খুবই জরুরি।
যেহেতু কোরআনে কারিম আমাদের জীবনের সঠিক গাইডলাইন দেয়, সেজন্য অর্থ বুঝে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। আজকাল বিদগ্ধ আলেমদের কল্যাণে বহু অনূদিত তাফসির গ্রন্থ পাওয়া যায়। যারা পড়তে জানেন, তারা কিনে নিয়ে নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।
সকাল বেলা, কিংবা রাতে অথবা সেহরির আগে-পরে যেকোনো একটা সুবিধাজনক সময়ে তাফসির চর্চার কাজ করতে পারেন। মুসলমানদের সবার ঘরেই কোরআনে কারিম থাকা উচিত। তবে কোরআনে কারিমকে বুক শেলফে সাজিয়ে রেখে লাভ নেই। অনুবাদসহ বাংলা তাফসির গ্রন্থ কিনে ঘরের শোভা বাড়িয়েও লাভ নেই। তাফসিরে কোরআন ঘরের শোভা নয়_ এটা মনের শোভা, আত্মার শোভা। তাই কোরআন শরিফ এবং তাফসিরগুলোকে বুক শেলফ থেকে নামিয়ে পড়ার টেবিলে আনতে হবে। নিয়মিত পড়তে হবে।
হজরত রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, যারা কোরআন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে কোরআন তেলাওয়াত করবে, তারা নৈকট্যপূর্ণ ফেরেশতাদের সঙ্গে জান্নাতে থাকবে। শাবান মাসের শেষ দিনে হজরত রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, রমজান মাসে একটি ফরজ আদায় করা হলে অন্য মাসে ৭০টি ফরজ আদায়ের সমান সওয়াব পাওয়া যাবে। এছাড়া একটি নফল ইবাদত করলে অন্য মাসের একটি ফরজ ইবাদতের সমান সওয়াব পাওয়া যাবে।
সুতরাং হাদিসের আলোকে আমরা বলতে পারি, কোরআনে কারিমের তেলাওয়াত অন্যান্য মাসে করলে যে সওয়াব হবে, রমজানুল মোবারকে তেলাওয়াত করলে অনেক অনেক বেশি ফজিলত ও সওয়াব পাওয়া যাবে। পবিত্র কোরআনসহ অন্যান্য আসমানি গ্রন্থ এই রমজানেই নাজিল হয়েছে। তাই অন্যান্য মাসের তুলনায় রমজানুল মোবারকে কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত অত্যন্ত বেশি।
আসলে কোরআন শরিফ কোনো জাদু-মন্ত্র বা তাবিজ-কবজের বই নয়। যদিও কোরআনের রয়েছে অপরিসীম অলৌকিক ক্ষমতা। আল্লাহ নিজেই বলেছেন, কোরআনে রয়েছে মানুষের আরোগ্যের ব্যবস্থা। অর্থাৎ পবিত্র কোরআন মানুষের মানসিক ও আত্মিক রোগমুক্ত করে। কোরআনের মাধ্যমে মানুষ বিভিন্নভাবে উপকৃত হবে-এতে কোনো সন্দেহ নেই।
আল্লাহ কোরআনকে দিয়েছেন মানুষের জীবন বিধান হিসেবে। মানুষের জীবনের যেকোনো সমস্যার সমাধান কোরআনে রয়েছে। তাই কোরআনকে বুঝতে হবে। সে অনুযায়ী আমাদের জীবনকে সাজাতে হবে। মনে রাখতে হবে, মুসলমানদের জীবন দুটি। একটি ইহকালীন, অপরটি পরকালীন। এই দুই জীবনেরই মুক্তির সনদ হচ্ছে কোরআন। তাই ইহকালীন শান্তি এবং পরকালীন মুক্তির জন্য আমাদের উচিত বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা।
আমাদের সন্তানদের অনেকেই কোরআন পড়তে জানে না। এটা দুঃখজনক কথা। মুসলমানের এই আত্মবিস্মৃতি কাম্য নয়। আর কোরআন যে শুধু রমজানেই পড়তে হবে-এমনও নয়। মুসলমানরা সব সময় আল্লাহর কিতাবের পাঠক ও ধারক-বাহক। এই সত্য উপলব্ধিটা অনুধাবন করার শক্তি আল্লাহ আমাদের দান করুন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন