আদালতের রায়ের মাধ্যমে টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচিত বলে ঘোষিত বিএনপির মাহমুদুল হাসান এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
বুধবার বিকেলে স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসানকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহফুজুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, বিএনপির সংসদ সদস্য জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, মো. শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, নিলুফার চৌধুরী মনি ও রাশেদা বেগম হীরা।
শপথের পর মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “আল্লাহ অনিয়ম পছন্দ করেন না। দেরি হলেও ন্যায়ের জয় হয়েছে।”
বিএনপির সংসদ বর্জনের মধ্য দিয়ে এমপি হিসেবে তিনি কতখানি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সময় কম থাকলেও সর্বোচ্চ ব্যবহার করবো। আমার এ অভিজ্ঞতা রয়েছে।”
প্রসঙ্গত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওই আসনে জাতীয় পার্টির আবুল কাশেম জয়ী হন। নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী আবুল কাশেম লাঙল প্রতীকে ১ লাখ ৪৭ হাজার ১৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ৭২ হাজার ৮০৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছিলেন মাহমুদুল হাসান।
বিল খেলাপি ও ঋণখেলাপি উল্লেখ করে নির্বাচনের পর ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাহমুদুল হাসান নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
বুধবার বিকেলে স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসানকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহফুজুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, বিএনপির সংসদ সদস্য জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, মো. শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, নিলুফার চৌধুরী মনি ও রাশেদা বেগম হীরা।
শপথের পর মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “আল্লাহ অনিয়ম পছন্দ করেন না। দেরি হলেও ন্যায়ের জয় হয়েছে।”
বিএনপির সংসদ বর্জনের মধ্য দিয়ে এমপি হিসেবে তিনি কতখানি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সময় কম থাকলেও সর্বোচ্চ ব্যবহার করবো। আমার এ অভিজ্ঞতা রয়েছে।”
প্রসঙ্গত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওই আসনে জাতীয় পার্টির আবুল কাশেম জয়ী হন। নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী আবুল কাশেম লাঙল প্রতীকে ১ লাখ ৪৭ হাজার ১৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ৭২ হাজার ৮০৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছিলেন মাহমুদুল হাসান।
বিল খেলাপি ও ঋণখেলাপি উল্লেখ করে নির্বাচনের পর ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাহমুদুল হাসান নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
এতে বলা হয়, ২০০৮ সালে ৪ ডিসেম্বর জেলা রিটার্নিং অফিসার আবুল কাশেমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিল। কিন্তু সোনালী ব্যাংকে তার ১৫ কোটি ৪৪ লাখ ২৫ হাজার ৪৩৭ টাকা ঋণ রয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, ময়মনসিংহ টেলিফোন এক্সচেঞ্জে আবুল কাশেমের নামে ৩২ হাজার ১১০ টাকা ফোন বিল বকেয়া রয়েছে। ইলেকশন পিটিশন নম্বর ০৮/২০০৯-এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট সংসদ সদস্য আবুল কাশেমের প্রার্থিতা বাতিল করে জাতীয় সংসদের টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হাসানকে বিজয়ী ঘোষণার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন।
এই আদেশ প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার জন্যও এতে নির্দেশনা দেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করেন আবুল কাশেম। সিভিল আপিল নম্বর ২৭/২০১১ খারিজ করে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন।
পরে আবুল কাশেম রিভিউ পিটিশন দাখিল করলে তা খারিজ হয়ে যায়।
এদিকে মাহমুদুল হাসান সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ায় ক্ষমতাসীন মহাজোটের আসন সংখ্যা কমে হলো ৩০৭। আর প্রধান বিরোধী দল বিএনপির আসন সংখ্যা হলো ৩৭। সে হিসেবে চারদলীয় জোটের সংসদে আসন দাঁড়ালো ৪০।
আবেদনে আরও বলা হয়, ময়মনসিংহ টেলিফোন এক্সচেঞ্জে আবুল কাশেমের নামে ৩২ হাজার ১১০ টাকা ফোন বিল বকেয়া রয়েছে। ইলেকশন পিটিশন নম্বর ০৮/২০০৯-এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট সংসদ সদস্য আবুল কাশেমের প্রার্থিতা বাতিল করে জাতীয় সংসদের টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হাসানকে বিজয়ী ঘোষণার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন।
এই আদেশ প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার জন্যও এতে নির্দেশনা দেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করেন আবুল কাশেম। সিভিল আপিল নম্বর ২৭/২০১১ খারিজ করে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন।
পরে আবুল কাশেম রিভিউ পিটিশন দাখিল করলে তা খারিজ হয়ে যায়।
এদিকে মাহমুদুল হাসান সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ায় ক্ষমতাসীন মহাজোটের আসন সংখ্যা কমে হলো ৩০৭। আর প্রধান বিরোধী দল বিএনপির আসন সংখ্যা হলো ৩৭। সে হিসেবে চারদলীয় জোটের সংসদে আসন দাঁড়ালো ৪০।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন