মৌলভীবাজারের পরিবার পরিকল্পনার বিভাগের গাইনী ডাক্তার রাজিয়া সুলতানাকে ধর্ষনের অভিযোগে মৌলভীবাজার শহরের প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী জেপিএল ডোর’স এর সত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম সজীবকে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার মালিবাগ এলাকা থেকে সহকারী পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরোধে দুই বৎসর পূর্বের র্ধষনের অভিযোগে নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজিসহ তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। এনিয়ে মৌলভীবাজার শহরজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় চলছে।
ডা.রাজিয়া সুলতানার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ২০আগষ্ট ধর্ষনের শিকার হন শ্রীমঙ্গল সড়কের ডায়মন্ড প্লাজার একটি প্রতিষ্টানে। কিন্তু তিনি বিগত ২ বৎসর যাবৎ মামলা করেন নাই কারন চিকিৎসকের সাথে শহরের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম সজীবের গভীর সম্পর্ক ছিলো। সম্প্রতি দুই জনের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়নের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ডা. সৈয়দা রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে মডেল থানায় একটি নারী নির্যাতন ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে সিটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক ডা. সোহেল রানাকে প্রাননাশের হুমকী দিয়েছেন সজীব। এ অভিযোগে রানা একটি মামলা মঙ্গলবার দায়ের করেন মডেল থানায়।
অপর একটি সুত্র জানায়, ডা রাজিয়া সুলতানার সাথে ব্যবসায়ী সজীবের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিলো। ইদানিং ওই মহিলা চিকিৎসকের সাথে ডা. রানা নামে একজনের গভীর সখ্য গড়ে উঠে। এ বিষয়টি সজীব মেনে নিতে না পেরে বিভিন্নভাবে হুমকী দিলে বিষয়টি মামলা পর্যন্ত গড়ায়। গ্রেফতারকৃত সজীবকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
অপর একটি সুত্র জানায়, ডা রাজিয়া সুলতানার সাথে ব্যবসায়ী সজীবের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিলো। ইদানিং ওই মহিলা চিকিৎসকের সাথে ডা. রানা নামে একজনের গভীর সখ্য গড়ে উঠে। এ বিষয়টি সজীব মেনে নিতে না পেরে বিভিন্নভাবে হুমকী দিলে বিষয়টি মামলা পর্যন্ত গড়ায়। গ্রেফতারকৃত সজীবকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জাফর মো. সালেহ জানান, এফআইআরভূক্ত একাধিক মামলার আসামী গ্রেফতারকৃত সজীবকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সজীবের রিমান্ড আবেদন করা হয়নি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন