রমজানুল মোবারক অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ মাস। সিয়াম সাধনা তার প্রধান বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ইবাদত। ফরজ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি এ মাসে সুন্নত তারাবির নামাজের বিধান রয়েছে। এছাড়াও যে কোনো নফল ইবাদতের সওয়াব এ মাসে দেয়া হবে বহুগুণ বেশি।
হাদিস শরীফে এ মাসে দান-খয়রাত, কোরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ, ধৈর্য ও সহানুভূতির ব্যাপারে বিশেষ প্রেরণা দেয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালার নির্দেশের সামনে তাই নিবেদিত রোজাদার বান্দারা রোজা রাখার পাশাপাশি সাধ্যমত বিভিন্ন ইবাদত করে থাকেন, অন্যদিকে হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী রমজান ও রোজার সুফল পেতে হলে গোনাহ, পাপ ও মন্দ কাজ ত্যাগ করার কথা বলা হয়েছে। এমনকি কথা কাটাকাটির তিক্ততা পর্যন্ত এড়িয়ে চলতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বেশিরভাগ রোজাদারই মোটাদাগে গ্রহণীয় ও বর্জনীয় এ বিষয়গুলো জানেন এবং এ ক্ষেত্রে নিজ নিজ সামর্থ্য ও মনের জোর অনুযায়ী আমল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু একটি বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের ক্ষেত্রে আমরা অনেকেই উদাসীন থাকি। সেটি হচ্ছে, আয়ের বৈধতা-অবৈধতা বেছে চলা। অর্থাৎ হারাম আয় থেকে বেঁচে হালাল আয়ের মাধ্যমে জীবনযাপনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হওয়া।
সেহেরি-ইফতার, অন্যান্য খাবার, দান-খয়রাত এবং পোশাক-পরিচ্ছদ যদি হালাল আয়ে না হয় তাহলে তো রোজা ও অন্যান্য ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। মূলত কেবল রোজা নয়, নামাজসহ ইসলামের সব ইবাদত এবং দোয়া-মোনাজাত কবুলের সঙ্গেই হালাল আয়ের শর্ত জড়িয়ে আছে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা পবিত্র বস্তুসামগ্রী খাও, যেগুলো আমি তোমাদের রিজিক হিসেবে দান করেছি এবং শুকরিয়া আদায় করো আল্লাহর, যদি তোমরা তারই ইবাদত করে থাক।’ (বাকারা-১৭২)
অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘পবিত্র-অপবিত্র সমান হয় না, যদিও অপবিত্রের প্রাচুর্য তোমাকে বিস্মিত করে। অতএব হে বুদ্ধিমানরা! আল্লাহকে ভয় করো যাতে তোমরা সফল হও’। (মায়েদা-১০০)
রাসুল সা. বলেন, যে ব্যক্তি কোনো হারাম সম্পদ অর্জন করে আর তা দ্বারা সদকা-খয়রাত করে, তার এ সদকা কবুল করা হবে না। আর (নিজের প্রয়োজনে) তা থেকে যা কিছু ব্যয় করবে তাতে কোনো বরকত হবে না। আর যদি সে এমন সম্পদ রেখে মৃত্যুবরণ করে, তবে তা তার জন্য জাহান্নামের ইন্ধন হবে। বিশ্বাস রাখো, আল্লাহ তায়ালা মন্দকে মন্দ দিয়ে মুছে দেন না। (অর্থাৎ হারাম সম্পদের সদকা গোনাহ মাফের কারণ হতে পারে না) বরং মন্দকে তিনি ভালো বস্তু দিয়ে মুছে দেন। কোনো নাপাকি অন্য নাপাকিকে মিটিয়ে দিয়ে তাকে পাক করতে পারে না।
আয়-উপার্জনে হালাল-হারামের প্রতি লক্ষ্য না রাখলে রোজার ফরজ বিধান আইনত হয়তো পালিত হয়ে যাবে, কিন্তু রোজার প্রকৃত সুফল প্রাপ্তি ও আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভ করতে আমরা পারব না। এ জন্য হালাল আয়-উপার্জনের প্রতি প্রত্যেকের সযত্ন মনোযোগ ও প্রয়াস কাম্য।
কেবল রমজানের রোজা নয়, যেকোনো ইবাদত কবুল হওযার জন্যই অন্যতম শর্ত হালাল উপার্জন। তাই তাকওয়া ও সংযম অর্জন এবং রমজানের প্রকৃত সুফল লাভের উদ্দেশ্যে এ মাসের সব ইবাদত ও সাধনাকে সুফলদায়ক এবং অর্থবহ করে তুলতে হালাল বা বৈধ জীবিকায় জীবন অতিবাহিত করার চেষ্টা করতে হবে। একই সঙ্গে এ চেষ্টাকে জীবনব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয় এ রমজানেই গ্রহণ করতে হবে।
হাদিস শরীফে এ মাসে দান-খয়রাত, কোরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ, ধৈর্য ও সহানুভূতির ব্যাপারে বিশেষ প্রেরণা দেয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালার নির্দেশের সামনে তাই নিবেদিত রোজাদার বান্দারা রোজা রাখার পাশাপাশি সাধ্যমত বিভিন্ন ইবাদত করে থাকেন, অন্যদিকে হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী রমজান ও রোজার সুফল পেতে হলে গোনাহ, পাপ ও মন্দ কাজ ত্যাগ করার কথা বলা হয়েছে। এমনকি কথা কাটাকাটির তিক্ততা পর্যন্ত এড়িয়ে চলতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বেশিরভাগ রোজাদারই মোটাদাগে গ্রহণীয় ও বর্জনীয় এ বিষয়গুলো জানেন এবং এ ক্ষেত্রে নিজ নিজ সামর্থ্য ও মনের জোর অনুযায়ী আমল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু একটি বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের ক্ষেত্রে আমরা অনেকেই উদাসীন থাকি। সেটি হচ্ছে, আয়ের বৈধতা-অবৈধতা বেছে চলা। অর্থাৎ হারাম আয় থেকে বেঁচে হালাল আয়ের মাধ্যমে জীবনযাপনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হওয়া।
সেহেরি-ইফতার, অন্যান্য খাবার, দান-খয়রাত এবং পোশাক-পরিচ্ছদ যদি হালাল আয়ে না হয় তাহলে তো রোজা ও অন্যান্য ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। মূলত কেবল রোজা নয়, নামাজসহ ইসলামের সব ইবাদত এবং দোয়া-মোনাজাত কবুলের সঙ্গেই হালাল আয়ের শর্ত জড়িয়ে আছে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা পবিত্র বস্তুসামগ্রী খাও, যেগুলো আমি তোমাদের রিজিক হিসেবে দান করেছি এবং শুকরিয়া আদায় করো আল্লাহর, যদি তোমরা তারই ইবাদত করে থাক।’ (বাকারা-১৭২)
অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘পবিত্র-অপবিত্র সমান হয় না, যদিও অপবিত্রের প্রাচুর্য তোমাকে বিস্মিত করে। অতএব হে বুদ্ধিমানরা! আল্লাহকে ভয় করো যাতে তোমরা সফল হও’। (মায়েদা-১০০)
রাসুল সা. বলেন, যে ব্যক্তি কোনো হারাম সম্পদ অর্জন করে আর তা দ্বারা সদকা-খয়রাত করে, তার এ সদকা কবুল করা হবে না। আর (নিজের প্রয়োজনে) তা থেকে যা কিছু ব্যয় করবে তাতে কোনো বরকত হবে না। আর যদি সে এমন সম্পদ রেখে মৃত্যুবরণ করে, তবে তা তার জন্য জাহান্নামের ইন্ধন হবে। বিশ্বাস রাখো, আল্লাহ তায়ালা মন্দকে মন্দ দিয়ে মুছে দেন না। (অর্থাৎ হারাম সম্পদের সদকা গোনাহ মাফের কারণ হতে পারে না) বরং মন্দকে তিনি ভালো বস্তু দিয়ে মুছে দেন। কোনো নাপাকি অন্য নাপাকিকে মিটিয়ে দিয়ে তাকে পাক করতে পারে না।
আয়-উপার্জনে হালাল-হারামের প্রতি লক্ষ্য না রাখলে রোজার ফরজ বিধান আইনত হয়তো পালিত হয়ে যাবে, কিন্তু রোজার প্রকৃত সুফল প্রাপ্তি ও আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভ করতে আমরা পারব না। এ জন্য হালাল আয়-উপার্জনের প্রতি প্রত্যেকের সযত্ন মনোযোগ ও প্রয়াস কাম্য।
কেবল রমজানের রোজা নয়, যেকোনো ইবাদত কবুল হওযার জন্যই অন্যতম শর্ত হালাল উপার্জন। তাই তাকওয়া ও সংযম অর্জন এবং রমজানের প্রকৃত সুফল লাভের উদ্দেশ্যে এ মাসের সব ইবাদত ও সাধনাকে সুফলদায়ক এবং অর্থবহ করে তুলতে হালাল বা বৈধ জীবিকায় জীবন অতিবাহিত করার চেষ্টা করতে হবে। একই সঙ্গে এ চেষ্টাকে জীবনব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয় এ রমজানেই গ্রহণ করতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন