Desh News:
আমরা সিয়ামের মাস রমজান অতিবাহিত করছি। রমজান মাস মূলত ইবাদতের মাস। হিজরতের তৃতীয় বর্ষে রোজা ফরজ হয়। সে হিসেবে রাসুল সা. ও সাহাবায়ে কেরাম রমজানে আমাদের মতো এত বেশি ইবাদত করার সুযোগ পাননি। কিন্তু যে কয়টি রমজান তারা পেয়েছেন, সেগুলোর সদ্ব্যবহার করে তারা সফলকাম হয়েছেন। তাদের মতো সফলতা পেতে এবং রমজান ও সিয়াম সাধনাকে সার্থক করতে পরিকল্পিতভাবে ইবাদতের মাধ্যমে রমজান কাটাতে হবে।
অন্য সময়ের ইবাদতের ঘাটতি পুষিয়ে নেয়ার সর্বোত্তম সময় রমজানুল মোবারক। আর সেজন্য এই মাসে অন্য সাধারণ আমলের ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বিশেষ কিছু আমলের ব্যাপারে আন্তরিক হতে হবে।
কোরআন-হাদিসে রমজানের বিশেষ আমল
১. তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখবে, চাঁদ দেখে ঈদ করবে। -বোখারি ও মুসলিম
২. তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রমজান মাস পাবে, সে যেন রোজা রাখে। -সুরা বাক্কারা-১৮৫
৩. যে ব্যক্তি রমজান মাসে রাতে জেগে নামাজ আদায় করবে আল্লাহ তার পেছনের গোনাহ মাফ করে দেবেন। -বোখারি ও মুসলিম
৪. মানুষ কল্যাণের মধ্যে থাকবে যখন দেরি না করে ইফতার করবে এবং শেষ সময়ে সেহেরি খাবে। -বোখারী ও মুসলিম
৫. তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না। এর অন্যতম রোজাদারের দোয়া ইফতারের আগ পর্যন্ত।-তিরমিজি
৬. যে ব্যক্তি (রোজা রেখে) মিথ্যা কথা ও কাজ পরিত্যাগ করলো না, তার উপোস থাকায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। -তিরমিজি
৭. কেউ তাকে (রোজাদারকে) গালি দিলে বা ঝগড়া করলে সে যেন বলে আমি রোজাদার।-বোখারি ও মুসলিম
৮. যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তাকে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব দেয়া হবে। তবে রোজাদারের সওয়াব থেকে কিছু কমানো হবে না। -তিরমিজি
৯. রমজানের প্রতি রাতে জিবরাইল আ. আল্লাহর রাসুলের সঙ্গে সাক্ষাত করতেন এবং তাকে কোরআনের দারস (পাঠ) দিতেন।-বোখারি
১০. আল্লাহর রাসুল সা. ছিলেন সবচেয়ে বেশি দানশীল আর তিনি রমজানে আরো বেশি দানশীল হতেন যখন তার কাছে জিবরাইল আ. আসতেন। -বোখারি ও মুসলিম
১১. আমি আল্লাহর রাসুল সা.কে রোজা রেখে মেসওয়াক করতে দেখেছি। এর সংখ্যা গুণে আমি শেষ করতে পারবো না। -বোখারি
১২. রমজান মাসে ওমরা করা হজের সমতুল্য।–বোখারি
১৩. আল্লাহর রাসুল (রমজানের) শেষ দশকে (ইবাদতে) যে পরিমাণ পরিশ্রম করতেন অন্য কোনো সময় তা করতেন না। শেষ দশক এলে তিনি কোমর বেঁধে নিতেন, রাত জাগতেন এবং পরিবারের লোকদের জাগিয়ে দিতেন।–মুসলিম
১৪. আল্লাহর রাসুল সা. মৃত্যু পর্যন্ত রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন। -বোখারি ও মুসলিম
১৫. তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে শবে কদর তালাশ করো।–বোখারি
১৬. আল্লাহর রাসুল সা. ফিতরা নির্ধারণ করেছে রোজাদারের অনর্থক কাজ ও পাপাচার থেকে পবিত্র করার জন্য এবং মিসকিন ব্যক্তিদের খাদ্য হিসেবে। যে ব্যক্তি তা ঈদের নামাজের আগে আদায় করবে তা গ্রহণযোগ্য এবং যে ব্যক্তি ঈদের নামাজের পরে আদায় করবে তা সাধারণ সদকা বলে গণ্য হবে।– আবু দাউদ
১৭. এই মাসে প্রতি রাতে অনেক লোককে আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম হতে মুক্ত করেন। -আহমদ ও ইবনে মাজাহ।
১৮. রমজানের প্রথম রাতে একজন ঘোষক ঘোষণা দেয়, হে সৎকর্মেচ্ছুক, অগ্রসর হও, হে মন্দ কর্মেচ্ছুক, বিরত থাক। -তিরমিজি
১৯. তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার। -বাকারা-১৮৩
১. তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখবে, চাঁদ দেখে ঈদ করবে। -বোখারি ও মুসলিম
২. তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রমজান মাস পাবে, সে যেন রোজা রাখে। -সুরা বাক্কারা-১৮৫
৩. যে ব্যক্তি রমজান মাসে রাতে জেগে নামাজ আদায় করবে আল্লাহ তার পেছনের গোনাহ মাফ করে দেবেন। -বোখারি ও মুসলিম
৪. মানুষ কল্যাণের মধ্যে থাকবে যখন দেরি না করে ইফতার করবে এবং শেষ সময়ে সেহেরি খাবে। -বোখারী ও মুসলিম
৫. তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না। এর অন্যতম রোজাদারের দোয়া ইফতারের আগ পর্যন্ত।-তিরমিজি
৬. যে ব্যক্তি (রোজা রেখে) মিথ্যা কথা ও কাজ পরিত্যাগ করলো না, তার উপোস থাকায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। -তিরমিজি
৭. কেউ তাকে (রোজাদারকে) গালি দিলে বা ঝগড়া করলে সে যেন বলে আমি রোজাদার।-বোখারি ও মুসলিম
৮. যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তাকে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব দেয়া হবে। তবে রোজাদারের সওয়াব থেকে কিছু কমানো হবে না। -তিরমিজি
৯. রমজানের প্রতি রাতে জিবরাইল আ. আল্লাহর রাসুলের সঙ্গে সাক্ষাত করতেন এবং তাকে কোরআনের দারস (পাঠ) দিতেন।-বোখারি
১০. আল্লাহর রাসুল সা. ছিলেন সবচেয়ে বেশি দানশীল আর তিনি রমজানে আরো বেশি দানশীল হতেন যখন তার কাছে জিবরাইল আ. আসতেন। -বোখারি ও মুসলিম
১১. আমি আল্লাহর রাসুল সা.কে রোজা রেখে মেসওয়াক করতে দেখেছি। এর সংখ্যা গুণে আমি শেষ করতে পারবো না। -বোখারি
১২. রমজান মাসে ওমরা করা হজের সমতুল্য।–বোখারি
১৩. আল্লাহর রাসুল (রমজানের) শেষ দশকে (ইবাদতে) যে পরিমাণ পরিশ্রম করতেন অন্য কোনো সময় তা করতেন না। শেষ দশক এলে তিনি কোমর বেঁধে নিতেন, রাত জাগতেন এবং পরিবারের লোকদের জাগিয়ে দিতেন।–মুসলিম
১৪. আল্লাহর রাসুল সা. মৃত্যু পর্যন্ত রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন। -বোখারি ও মুসলিম
১৫. তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে শবে কদর তালাশ করো।–বোখারি
১৬. আল্লাহর রাসুল সা. ফিতরা নির্ধারণ করেছে রোজাদারের অনর্থক কাজ ও পাপাচার থেকে পবিত্র করার জন্য এবং মিসকিন ব্যক্তিদের খাদ্য হিসেবে। যে ব্যক্তি তা ঈদের নামাজের আগে আদায় করবে তা গ্রহণযোগ্য এবং যে ব্যক্তি ঈদের নামাজের পরে আদায় করবে তা সাধারণ সদকা বলে গণ্য হবে।– আবু দাউদ
১৭. এই মাসে প্রতি রাতে অনেক লোককে আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম হতে মুক্ত করেন। -আহমদ ও ইবনে মাজাহ।
১৮. রমজানের প্রথম রাতে একজন ঘোষক ঘোষণা দেয়, হে সৎকর্মেচ্ছুক, অগ্রসর হও, হে মন্দ কর্মেচ্ছুক, বিরত থাক। -তিরমিজি
১৯. তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার। -বাকারা-১৮৩
ইবাদতের মাস রমজানের জন্য প্রস্তুতি
জীবনের হেলায় কাটানো রমজানের পুনরাবৃত্তি না ঘটানোর ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী হওয়া।
গতানুগতিক জীবন থেকে তাওবা ও পরিবর্তনের অঙ্গীকার করা।
ক্ষমা ও পুণ্য লাভের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও প্রত্যয়ী হওয়া।
চলতে ফিরতে সর্বদা সিয়াম ও রমজানের ফফিলতসমূহের কথা এবং রমজানের সদ্ব্যবহার করে ক্ষমা না পেলে রাসুলের বদদোয়ার কথা ভাবতে থাকা।
রমজানের আমলের পথে সম্ভাব্য বাধাগুলো অপসারণ করা।
ক্ষমাপ্রাপ্তির জন্য হিংসা ও শিরক থেকে পরিচ্ছন্ন হয়ে রমজানের সদ্ব্যবহারের দোয়া করা।
দানশীলতা ও ধৈর্যসহ রমজানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সুন্দর গুণগুলো অর্জনের চেষ্টা করা।
রমজান ও রোজার মাসয়ালা-মাসায়েল, আহকাম, আদাব ও প্রয়োজনীয় জ্ঞানার্জন করা।
সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য ২৪ ঘণ্টার রুটিন তৈরি করা।
জীবনের হেলায় কাটানো রমজানের পুনরাবৃত্তি না ঘটানোর ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী হওয়া।
গতানুগতিক জীবন থেকে তাওবা ও পরিবর্তনের অঙ্গীকার করা।
ক্ষমা ও পুণ্য লাভের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও প্রত্যয়ী হওয়া।
চলতে ফিরতে সর্বদা সিয়াম ও রমজানের ফফিলতসমূহের কথা এবং রমজানের সদ্ব্যবহার করে ক্ষমা না পেলে রাসুলের বদদোয়ার কথা ভাবতে থাকা।
রমজানের আমলের পথে সম্ভাব্য বাধাগুলো অপসারণ করা।
ক্ষমাপ্রাপ্তির জন্য হিংসা ও শিরক থেকে পরিচ্ছন্ন হয়ে রমজানের সদ্ব্যবহারের দোয়া করা।
দানশীলতা ও ধৈর্যসহ রমজানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সুন্দর গুণগুলো অর্জনের চেষ্টা করা।
রমজান ও রোজার মাসয়ালা-মাসায়েল, আহকাম, আদাব ও প্রয়োজনীয় জ্ঞানার্জন করা।
সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য ২৪ ঘণ্টার রুটিন তৈরি করা।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন