Desh News: রংপুরে কোর্ট হাজতে পুলিশের নির্যাতনে আসামীর মৃত্যু নিয়ে বিক্ষোভ করেছে নিহতের স্বজন ও জনতা। তারা অভিযুক্ত পুলিশের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করেছেন। নিহতের আত্মীয় স্বজন ও জনতা অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার মাদক মামলার আসামী মোশারফ হোসেনকে হাজিরার জন্য রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সকালে রংপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ এর হাজতে রাখা হয়। দুপুরের পর হাজতের বাথরুমে রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু হয়। আসামী মোশারফের লাশ দেখে উপস্থিত জনতা ও তার আত্মীয় স্বজন পুলিশের নির্যাতনে মোশারফের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ এনে কোর্ট চত্বরে বিক্ষোভ করে। তারা তদন্ত করে অভিযুক্ত পুলিশের শাস্তি দাবি করেন। পরে পুলিশ ময়না তদন্তেন জন্য লাশটি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে নিয়ে যায়।
মোশারফের বাড়ি রংপুর সদরের মাহিগঞ্জ সাতমাথা পুর্ব খাসবাগ গ্রামে। তার বাবার নাম মনতাজ মিয়া। তিনি পান দোকানদার। মোশারফের স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছে। মোশারফের স্ত্রী রেহেনা বেগম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন তার স্বামী কখনও আত্মহত্যা করতে পারে না। পুলিশ তাকে নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে। এরপর তার লাশ বাথরুমে রেখে প্রচারনা চালায় মোশারফ আত্মহত্যা করেছে। তিনি বলেন, পুলিশের দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।
এব্যাপারে কোর্ট হাজতের ইনচার্জ আবদুস ছামাদ সাংবাদিকদের জানান, মোশারফ বাথরুমের জানালায় গলায় লুঙ্গি বেধে আত্মহত্যা করেছে। টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
মোশারফের বাড়ি রংপুর সদরের মাহিগঞ্জ সাতমাথা পুর্ব খাসবাগ গ্রামে। তার বাবার নাম মনতাজ মিয়া। তিনি পান দোকানদার। মোশারফের স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছে। মোশারফের স্ত্রী রেহেনা বেগম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন তার স্বামী কখনও আত্মহত্যা করতে পারে না। পুলিশ তাকে নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে। এরপর তার লাশ বাথরুমে রেখে প্রচারনা চালায় মোশারফ আত্মহত্যা করেছে। তিনি বলেন, পুলিশের দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।
এব্যাপারে কোর্ট হাজতের ইনচার্জ আবদুস ছামাদ সাংবাদিকদের জানান, মোশারফ বাথরুমের জানালায় গলায় লুঙ্গি বেধে আত্মহত্যা করেছে। টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন