লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মাইক্রোবাস খালে পড়ে নয়জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের। বৌ-ভাত অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে ফেরার পথে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া অন্যান্য স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় আরো চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) ও চাঁদপুর সংবাদদাতা জানান, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার কাটাখালী নোয়াগাঁও সড়কের সাইনাল গ্রামে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু ও মহিলাসহ নয়জন নিহত হয়েছেন। সাতজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে রামগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র ও এলাকার লোকজন জানান, গতকাল দুপুরে রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও মিজিবাড়ির হাফিজ আহম্মেদের তৃতীয় মেয়ে কুসুমের বিয়ে-পরবর্তী বৌ-ভাত অনুষ্ঠান শেষে পাশের ফরিদগঞ্জের গল্লাক নারিকেলতলা পাটোয়ারী বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে ১৬ জন যাত্রী নিয়ে মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-১১৬) কাটাখালী সাইনাল ঠেঙ্গারপোলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে ঘটনাস্থলেই আটজন যাত্রী নিহত হন। হাসপাতালে আনার পথে আরো একজন মারা যান। নিহতরা হলেনÑ কুসুমের আত্মীয় সূচীপাড়া ইউনিয়নের দিঘজাইল ব্যাপারী বাড়ির জয়নাল আবেদীন (৫০), স্ত্রী নাসিমা আক্তার (৩৮) ও মেয়ে রহিমা (১০), ডাটরা শীবরামপুর হাসান আলী মুন্সিবাড়ির হারুন অর রশিদ (৬৫), তাছলিমা (২৮), সুলতানা (২৮), তামান্না (১২) ও অজ্ঞাত এক শিশুসহ (৮) ৯জন নিহত হন। স্থানীয়রা রবিন (১৩) নামে এক শিশুসহ ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা চলছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। এ ছাড়া সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিয়াউল হক জিয়া এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন।
রাজশাহী ব্যুরো জানায়, রাজশাহী নগরীতে অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ফেরদৌসী (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে নগরীর বিন্দুর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে। ফেরদৌসী নগরীর রানীবাজার এলাকার শফিকুল ইসলামের স্ত্রী।
নিহতের পরিবার ও রামেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত শুক্রবার রাতে ফেরদৌসী অটোরিকশা করে নিউমার্কেট থেকে নওদাপাড়ায় যাচ্ছিলেন। এ সময় অটোরিকশার চাকার সাথে তার ওড়না পেঁচিয়ে গেলে তিনি বিন্দুর মোড় এলাকার রাস্তায় ছিটকে পড়েন। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাতেই তার মৃত্যু হয়।
রাজবাড়ী সংবাদদাতা জানান, গতকাল রাজবাড়ীর পাংশা-পাট্টা সড়কের নতুন বাজারের কাছে নছিমন চাপায় রমেশ শীল (৩৫) নামে এক পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। রমেশ শীল পাট্টা ইউনিয়নের জোনা পাট্টা গ্রামের দ্বিজেন্দ্রনাথ শীলের ছেলে। প্রত্যদর্শী ও পাংশা থানা পুলিশ জানায়, রমেশ এক বোঝা পাট মাথায় নিয়ে বিক্রির জন্য হাটে যাচ্ছিলেন। পথে নতুন বাজারের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি নছিমন একই দিকে ধাবিত অপর একটি নসিমনকে ওভারটেক করার সময় পেছন থেকে রমেশকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নছিমনটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে এর চালক পালিয়ে যান।
পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) সংবাদদাতা জানান, জয়পুরহাট-পাঁচবিবি-হিলি সড়কের বাগজানা ইউনিয়নের খোর্দা হিন্দুপাড়ায় গত শনিবার জয়পুরহাটগামী (ঢাকা-মেট্রো-হ-১৪-৭৯৮৮) একটি ট্রাক বাইসাইকেল আরোহী পিতা-পুত্রের সাইকেলে পেছন দিক থেকে ধাক্কা দিলে সাইকেলে বসা শিশুপুত্র মোহাম্মদুল্লা (৮) ছিটকে পড়ে ট্রাকের নিচে ঢুকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়। জনতা ধাওয়া করে ঘাতক ট্রাকটি আটক করলেও ড্রাইভার ও হেলপার পালিয়ে যান।
বরিশাল ব্যুরো জানায়, বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর নতুনহাট এলাকায় গতকাল সড়ক দুর্ঘটনায় এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। তার নাম মোর্শেদা বেগম (২৮)। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা মহাসড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মুণ্ডুপাশা গ্রামের মহসিন হাওলাদারের স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী মোর্শেদা বেগম সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে শিকারপুরের নতুনহাটে ঢাকাগামী ঈগল পরিবহনের একটি কোচ তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোর্শেদা নিহত হন।
রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) ও চাঁদপুর সংবাদদাতা জানান, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার কাটাখালী নোয়াগাঁও সড়কের সাইনাল গ্রামে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু ও মহিলাসহ নয়জন নিহত হয়েছেন। সাতজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে রামগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র ও এলাকার লোকজন জানান, গতকাল দুপুরে রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও মিজিবাড়ির হাফিজ আহম্মেদের তৃতীয় মেয়ে কুসুমের বিয়ে-পরবর্তী বৌ-ভাত অনুষ্ঠান শেষে পাশের ফরিদগঞ্জের গল্লাক নারিকেলতলা পাটোয়ারী বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে ১৬ জন যাত্রী নিয়ে মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-১১৬) কাটাখালী সাইনাল ঠেঙ্গারপোলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে ঘটনাস্থলেই আটজন যাত্রী নিহত হন। হাসপাতালে আনার পথে আরো একজন মারা যান। নিহতরা হলেনÑ কুসুমের আত্মীয় সূচীপাড়া ইউনিয়নের দিঘজাইল ব্যাপারী বাড়ির জয়নাল আবেদীন (৫০), স্ত্রী নাসিমা আক্তার (৩৮) ও মেয়ে রহিমা (১০), ডাটরা শীবরামপুর হাসান আলী মুন্সিবাড়ির হারুন অর রশিদ (৬৫), তাছলিমা (২৮), সুলতানা (২৮), তামান্না (১২) ও অজ্ঞাত এক শিশুসহ (৮) ৯জন নিহত হন। স্থানীয়রা রবিন (১৩) নামে এক শিশুসহ ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা চলছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। এ ছাড়া সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিয়াউল হক জিয়া এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন।
রাজশাহী ব্যুরো জানায়, রাজশাহী নগরীতে অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ফেরদৌসী (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে নগরীর বিন্দুর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে। ফেরদৌসী নগরীর রানীবাজার এলাকার শফিকুল ইসলামের স্ত্রী।
নিহতের পরিবার ও রামেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত শুক্রবার রাতে ফেরদৌসী অটোরিকশা করে নিউমার্কেট থেকে নওদাপাড়ায় যাচ্ছিলেন। এ সময় অটোরিকশার চাকার সাথে তার ওড়না পেঁচিয়ে গেলে তিনি বিন্দুর মোড় এলাকার রাস্তায় ছিটকে পড়েন। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাতেই তার মৃত্যু হয়।
রাজবাড়ী সংবাদদাতা জানান, গতকাল রাজবাড়ীর পাংশা-পাট্টা সড়কের নতুন বাজারের কাছে নছিমন চাপায় রমেশ শীল (৩৫) নামে এক পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। রমেশ শীল পাট্টা ইউনিয়নের জোনা পাট্টা গ্রামের দ্বিজেন্দ্রনাথ শীলের ছেলে। প্রত্যদর্শী ও পাংশা থানা পুলিশ জানায়, রমেশ এক বোঝা পাট মাথায় নিয়ে বিক্রির জন্য হাটে যাচ্ছিলেন। পথে নতুন বাজারের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি নছিমন একই দিকে ধাবিত অপর একটি নসিমনকে ওভারটেক করার সময় পেছন থেকে রমেশকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নছিমনটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে এর চালক পালিয়ে যান।
পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) সংবাদদাতা জানান, জয়পুরহাট-পাঁচবিবি-হিলি সড়কের বাগজানা ইউনিয়নের খোর্দা হিন্দুপাড়ায় গত শনিবার জয়পুরহাটগামী (ঢাকা-মেট্রো-হ-১৪-৭৯৮৮) একটি ট্রাক বাইসাইকেল আরোহী পিতা-পুত্রের সাইকেলে পেছন দিক থেকে ধাক্কা দিলে সাইকেলে বসা শিশুপুত্র মোহাম্মদুল্লা (৮) ছিটকে পড়ে ট্রাকের নিচে ঢুকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়। জনতা ধাওয়া করে ঘাতক ট্রাকটি আটক করলেও ড্রাইভার ও হেলপার পালিয়ে যান।
বরিশাল ব্যুরো জানায়, বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর নতুনহাট এলাকায় গতকাল সড়ক দুর্ঘটনায় এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। তার নাম মোর্শেদা বেগম (২৮)। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা মহাসড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মুণ্ডুপাশা গ্রামের মহসিন হাওলাদারের স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী মোর্শেদা বেগম সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে শিকারপুরের নতুনহাটে ঢাকাগামী ঈগল পরিবহনের একটি কোচ তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোর্শেদা নিহত হন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন