দেশ নিউজ:
লন্ডন, ৭ আগস্ট: লন্ডন অলিম্পিকে মহিলা ফুটবলের ফাইনালে উঠেছে জাপান ও আমেরিকা। আগামী ৯ আগস্ট স্বর্ণ জয়ের লক্ষ্যে ফাইনালে মুখোমুখি হবে এই দু’দল।
বড় আসরে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে লন্ডন অলিম্পিকে পা রাখে জাপান মহিলা ফুটবল দল। ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের পর, লন্ডন অলিম্পিকেও সেরার মুকুট পরতে উদগ্রীব নাদেশিকোরা।
জাপান মহিলা ফুটবল দলের সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে বাকি আর মাত্র একটি ধাপ। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফুটবলশৈলী দেখিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে জাপান। সেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে আমেরিকা।
প্রতিশোধ নেবার সুবর্ণ সুযোগ আমেরিকানদের সামনে। ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে এই জাপানের কাছেই হৃদয় ভেঙেছিল তাদের। অলৌকিক হলেও এক বছর পরই আবারো বড় কোনো আসরে মুখোমুখি হবে জাপান ও আমেরিকা।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হয়েছিল বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন জাপান। শুরুটা চমৎকার করতে না পারলেও, ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে প্রতিপক্ষের সীমানায় আক্রমণ চালায় নাদেশিকোরা। ফলে সাফল্যের দেখা পেতে খুব বেশি সময় লাগেনি তাদের।
৩২ মিনিটে ফ্রান্সের জালে প্রথম বল পাঠায় জাপান। ফরোয়ার্ড ইউকি ওগমি গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এক গোলে এগিয়ে থেকে ক্ষান্ত হয়নি জাপানিরা। আক্রমণের ধার বজায় রেখে প্রথমার্ধের বাকি সময়ে তারা আরো কয়েকবার আক্রমণ করে। কিন্তু ফ্রান্সের ডিফেন্সের কল্যাণে দ্বিতীয় সাফল্য পায়নি তারা।
তবে এবারো বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি জাপানকে।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে বল গড়ানোর চার মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করে দলকে আরো একধাপ এগিয়ে দেন সাকাগুচি।
দুই গোলে পিছিয়ে থেকে ম্যাচে ফেরার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালায় ফ্রান্স। কিন্তু জাপানের শক্তিশালী ডিফেন্সে কোনোভাবেই ফাটল ধরাতে পারছিল না ফরাসিরা। অবশেষে ৭৬ মিনিটে আনন্দ করার উপলক্ষ পেয়ে যায় তারা। এলই সোমিরের গোলে ম্যাচ ব্যবধান কমায় ফ্রান্স। ফলে ম্যাচে উত্তেজনা তৈরি হলেও, বাকি সময়ে ব্যবধান ধরে রেখে ফাইনাল নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে জাপান।
ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ায় বেশ খুশি জাপানের দ্বিতীয় গোলদাতা সাকাগুচি। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের সীমানায় জোরালো আক্রমণ করেছে ফ্রান্স। তবে ডিফেন্স দিয়ে আমরা তা প্রতিহত করেছি এবং ম্যাচ জিতে ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ায় আমরা বেশ খুশি।
এদিকে ফাইনালের টিকিট পেতে আমেরিকাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। প্রতিপক্ষ কানাডাও লড়াই করেছে শেষবিন্দু পর্যন্ত। ম্যাচের নির্ধারিত সময় ৩-৩ গোলে ড্র থাকলেও অতিরিক্ত সময়ের ইনজুরি টাইমে বাজিমাৎ করে আমেরিকা। ফলে ৪-৩ গোলে কানাডাকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে আমেরিকা।
ম্যাচের ২২ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় কানাডা। ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিন মারগারেট সিনক্লেয়ার গোলটি করেন। এরপর প্রথম অর্ধে আর কোনো গোল না হলে এক গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় কানাডা।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে দ্রুত সমতা আনে আমেরিকা। ৫৪ মিনিটে রাপিনোয়ির গোলে কানাডার সমান্তরালে এসে দাঁড়ায় তারা। তবে ৬৭ মিনিটে আবারো গোল করে দলকে দ্বিগুণ ব্যবধানে এগিয়ে দেন প্রথম গোলের মালিক সিনক্লেয়ার। এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতে আবারো স্কোর লাইনে পরিবর্তন হয়। এবার গোল পায় আমেরিকা। ৭০ মিনিটে রাপিনোয়ির দ্বিতীয় গোলে ম্যাচে আবারো সমতা আনে আমেরিকা।
দু’বার এগিয়ে থেকে সেই লিড ধরে রাখতে না পারার কষ্টে দমে যায়নি কানাডা। ৭৩ মিনিটে তৃতীয় গোল করে আবার লিড নেয় তারা। এবারো গোল করেন প্রথম দুই গোলের মালিক সিনক্লেয়ার। ফলে হ্যাটট্রিক পূর্ণ হয় তার।
ম্যাচের পঞ্চম গোলের সাত মিনিট পরে তৃতীয় গোল করে ম্যাচে আবারো সমতা আনে আমেরিকা। এবার গোলটি করেন ওয়ামবাচ। ফলে ৩-৩ গোলে সমতা থাকা অবস্থায় শেষ হয়ে যায় নির্ধারিত সময়ের খেলা। এতে ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
প্রথম ৯০ মিনিটে ছয় গোল হওয়া ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে কোনো গোলই করতে পারেনি দু’দল। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় ভাগের ইনজুরি সময়ে আসল কাজটি করেন ২৩ বছর বয়সী অ্যালেঙ মরগ্যান। তার দেয়া গোলেই শেষপর্যন্ত ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠে যায় আমেরিকা।
বড় আসরে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে লন্ডন অলিম্পিকে পা রাখে জাপান মহিলা ফুটবল দল। ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের পর, লন্ডন অলিম্পিকেও সেরার মুকুট পরতে উদগ্রীব নাদেশিকোরা।
জাপান মহিলা ফুটবল দলের সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে বাকি আর মাত্র একটি ধাপ। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফুটবলশৈলী দেখিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে জাপান। সেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে আমেরিকা।
প্রতিশোধ নেবার সুবর্ণ সুযোগ আমেরিকানদের সামনে। ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে এই জাপানের কাছেই হৃদয় ভেঙেছিল তাদের। অলৌকিক হলেও এক বছর পরই আবারো বড় কোনো আসরে মুখোমুখি হবে জাপান ও আমেরিকা।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হয়েছিল বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন জাপান। শুরুটা চমৎকার করতে না পারলেও, ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে প্রতিপক্ষের সীমানায় আক্রমণ চালায় নাদেশিকোরা। ফলে সাফল্যের দেখা পেতে খুব বেশি সময় লাগেনি তাদের।
৩২ মিনিটে ফ্রান্সের জালে প্রথম বল পাঠায় জাপান। ফরোয়ার্ড ইউকি ওগমি গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এক গোলে এগিয়ে থেকে ক্ষান্ত হয়নি জাপানিরা। আক্রমণের ধার বজায় রেখে প্রথমার্ধের বাকি সময়ে তারা আরো কয়েকবার আক্রমণ করে। কিন্তু ফ্রান্সের ডিফেন্সের কল্যাণে দ্বিতীয় সাফল্য পায়নি তারা।
তবে এবারো বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি জাপানকে।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে বল গড়ানোর চার মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করে দলকে আরো একধাপ এগিয়ে দেন সাকাগুচি।
দুই গোলে পিছিয়ে থেকে ম্যাচে ফেরার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালায় ফ্রান্স। কিন্তু জাপানের শক্তিশালী ডিফেন্সে কোনোভাবেই ফাটল ধরাতে পারছিল না ফরাসিরা। অবশেষে ৭৬ মিনিটে আনন্দ করার উপলক্ষ পেয়ে যায় তারা। এলই সোমিরের গোলে ম্যাচ ব্যবধান কমায় ফ্রান্স। ফলে ম্যাচে উত্তেজনা তৈরি হলেও, বাকি সময়ে ব্যবধান ধরে রেখে ফাইনাল নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে জাপান।
ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ায় বেশ খুশি জাপানের দ্বিতীয় গোলদাতা সাকাগুচি। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের সীমানায় জোরালো আক্রমণ করেছে ফ্রান্স। তবে ডিফেন্স দিয়ে আমরা তা প্রতিহত করেছি এবং ম্যাচ জিতে ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ায় আমরা বেশ খুশি।
এদিকে ফাইনালের টিকিট পেতে আমেরিকাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। প্রতিপক্ষ কানাডাও লড়াই করেছে শেষবিন্দু পর্যন্ত। ম্যাচের নির্ধারিত সময় ৩-৩ গোলে ড্র থাকলেও অতিরিক্ত সময়ের ইনজুরি টাইমে বাজিমাৎ করে আমেরিকা। ফলে ৪-৩ গোলে কানাডাকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে আমেরিকা।
ম্যাচের ২২ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় কানাডা। ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিন মারগারেট সিনক্লেয়ার গোলটি করেন। এরপর প্রথম অর্ধে আর কোনো গোল না হলে এক গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় কানাডা।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে দ্রুত সমতা আনে আমেরিকা। ৫৪ মিনিটে রাপিনোয়ির গোলে কানাডার সমান্তরালে এসে দাঁড়ায় তারা। তবে ৬৭ মিনিটে আবারো গোল করে দলকে দ্বিগুণ ব্যবধানে এগিয়ে দেন প্রথম গোলের মালিক সিনক্লেয়ার। এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতে আবারো স্কোর লাইনে পরিবর্তন হয়। এবার গোল পায় আমেরিকা। ৭০ মিনিটে রাপিনোয়ির দ্বিতীয় গোলে ম্যাচে আবারো সমতা আনে আমেরিকা।
দু’বার এগিয়ে থেকে সেই লিড ধরে রাখতে না পারার কষ্টে দমে যায়নি কানাডা। ৭৩ মিনিটে তৃতীয় গোল করে আবার লিড নেয় তারা। এবারো গোল করেন প্রথম দুই গোলের মালিক সিনক্লেয়ার। ফলে হ্যাটট্রিক পূর্ণ হয় তার।
ম্যাচের পঞ্চম গোলের সাত মিনিট পরে তৃতীয় গোল করে ম্যাচে আবারো সমতা আনে আমেরিকা। এবার গোলটি করেন ওয়ামবাচ। ফলে ৩-৩ গোলে সমতা থাকা অবস্থায় শেষ হয়ে যায় নির্ধারিত সময়ের খেলা। এতে ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
প্রথম ৯০ মিনিটে ছয় গোল হওয়া ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে কোনো গোলই করতে পারেনি দু’দল। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় ভাগের ইনজুরি সময়ে আসল কাজটি করেন ২৩ বছর বয়সী অ্যালেঙ মরগ্যান। তার দেয়া গোলেই শেষপর্যন্ত ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠে যায় আমেরিকা।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন