Desh News: মূল্যস্ফীতির সাম্প্রতিক কমতি প্রবণতার উল্লেখ করে দ্রব্যমূল্য আরো কমবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজেদের আশার কথা জানিয়েছে। নিজস্ব ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ পরিসংখ্যানে মূল্যস্ফীতির এই কমতি প্রবণতা প্রকাশিত হবার পর মঙ্গলবার এ আশা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এক সংবাদ বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির কারণেই মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, জুন মাসের ৮.৫৬ থেকে কমে গত জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি নেমেছে শতকরা ৮.০৩ ভাগে। অপরদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সোমবার জানিয়েছে মূল্যস্ফীতি কমে গত জুলাইয়ে ছিল ৫.২১ ভাগে, ২০০৫-০৬ অর্থবছরের তুলনায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, “অবশ্য নতুন হিসাবের মূল্যস্তরে দ্রব্যের সংখ্যা, ব্যাপ্তি ও আনুপাতিক ওজন পরিবর্তন করা হয়েছে যা পরিবর্তিত আধুনিক ভোগ সম্ভারের যথার্থ প্রতিফলন ঘটাতে পারে।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের দাবি, “অর্থনীতিবিদদের মতে এই পরিবর্তন আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন।”
বিবৃতিতে বলা হয়, “নতুন মূল্যস্তরের হিসাবে খাদ্যদ্রব্যের সংখ্যা ও ব্যাপ্তি বেড়েছে, ফলে মূল্যস্ফীতির অংকও যথেষ্ট সহনীয় পর্যায়ে নেমে এসেছে। কারণ গত দু’মাসে খাদ্যদ্রব্যের, বিশেষতঃ চালের দাম যথেষ্ট কমেছে। শুধু চালের দাম কমলেই মূল্যস্ফীতি এতটা কমতো না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা সরবরাহে সংযত অবস্থানের ইতিবাচক প্রভাব মূল্যস্ফীতির অধোগতিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। এই অর্থবছরে মুদ্রা যোগানের প্রবৃদ্ধি হবে ১৬ শতাংশ যা পূর্ববর্তী বছরগুলোর তুলনায় কম।”
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, “এতে বাণিজ্যমহলে প্রত্যাশিত মূল্যস্ফীতি কমে আসবে এবং চলতি অর্থবছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি এক অংকের মাত্রায় নেমে আসবে বলে আশা করা যায়।”
এক সংবাদ বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির কারণেই মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, জুন মাসের ৮.৫৬ থেকে কমে গত জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি নেমেছে শতকরা ৮.০৩ ভাগে। অপরদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সোমবার জানিয়েছে মূল্যস্ফীতি কমে গত জুলাইয়ে ছিল ৫.২১ ভাগে, ২০০৫-০৬ অর্থবছরের তুলনায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, “অবশ্য নতুন হিসাবের মূল্যস্তরে দ্রব্যের সংখ্যা, ব্যাপ্তি ও আনুপাতিক ওজন পরিবর্তন করা হয়েছে যা পরিবর্তিত আধুনিক ভোগ সম্ভারের যথার্থ প্রতিফলন ঘটাতে পারে।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের দাবি, “অর্থনীতিবিদদের মতে এই পরিবর্তন আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন।”
বিবৃতিতে বলা হয়, “নতুন মূল্যস্তরের হিসাবে খাদ্যদ্রব্যের সংখ্যা ও ব্যাপ্তি বেড়েছে, ফলে মূল্যস্ফীতির অংকও যথেষ্ট সহনীয় পর্যায়ে নেমে এসেছে। কারণ গত দু’মাসে খাদ্যদ্রব্যের, বিশেষতঃ চালের দাম যথেষ্ট কমেছে। শুধু চালের দাম কমলেই মূল্যস্ফীতি এতটা কমতো না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা সরবরাহে সংযত অবস্থানের ইতিবাচক প্রভাব মূল্যস্ফীতির অধোগতিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। এই অর্থবছরে মুদ্রা যোগানের প্রবৃদ্ধি হবে ১৬ শতাংশ যা পূর্ববর্তী বছরগুলোর তুলনায় কম।”
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, “এতে বাণিজ্যমহলে প্রত্যাশিত মূল্যস্ফীতি কমে আসবে এবং চলতি অর্থবছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি এক অংকের মাত্রায় নেমে আসবে বলে আশা করা যায়।”

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন