যুক্তরাষ্ট্রে কমছে শ্বেতাঙ্গ জন্মহার। অর্ধেকেরও বেশি বেড়েছে সংখ্যালঘু বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শিশুর জন্ম।
যুক্তরাষ্ট্রে সর্বশেষ আদমশুমারি থেকে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
এতে দেখা গেছে, গত বছর জুলাই পর্যন্ত কৃষ্ণাঙ্গ, হিসপানিক, এশিয়ান ও মিশ্র জাতিগোষ্ঠির শিশু জন্মের হার দাঁড়িয়েছে ৫০ দশমিক ৪ শতাংশে।
যুক্তরাষ্ট্রে কমসংখ্যক অ-হিস্পানিক শ্বেতাঙ্গ শিশুর জন্ম এটাই প্রথম।
সমাজবিজ্ঞানীদের ধারণা, অর্থনৈতিক মন্দার কারণে শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে সন্তান নেওয়ার প্রবণতা কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের জুলাই পর্যন্ত সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর ২০ লাখ ২ হাজার শিশু জন্ম নিয়েছে। এ সংখ্যা মোট শিশু জন্মহারের অর্ধেকের বেশি। ১৯৯০ সালে সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর শিশুজন্মহার ছিল ৩৭ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রে গত কয়েক বছরে জন্মহার কমেছে। আর তুলনামূলকভাবে শ্বেতাঙ্গদের মাঝেই এ হার বেশি কমছে।
নিউ হ্যাম্পশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানী কিনেথ জনসন জানিয়েছেন, ২০০৮ সাল থেকে শ্বেতাঙ্গ শিশু জন্মহার ১১ দশমিক ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে, সংখ্যালঘু শিশু জন্মহার কমেছে ৩ দশমিক ২ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রে সর্বশেষ আদমশুমারি থেকে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
এতে দেখা গেছে, গত বছর জুলাই পর্যন্ত কৃষ্ণাঙ্গ, হিসপানিক, এশিয়ান ও মিশ্র জাতিগোষ্ঠির শিশু জন্মের হার দাঁড়িয়েছে ৫০ দশমিক ৪ শতাংশে।
যুক্তরাষ্ট্রে কমসংখ্যক অ-হিস্পানিক শ্বেতাঙ্গ শিশুর জন্ম এটাই প্রথম।
সমাজবিজ্ঞানীদের ধারণা, অর্থনৈতিক মন্দার কারণে শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে সন্তান নেওয়ার প্রবণতা কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের জুলাই পর্যন্ত সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর ২০ লাখ ২ হাজার শিশু জন্ম নিয়েছে। এ সংখ্যা মোট শিশু জন্মহারের অর্ধেকের বেশি। ১৯৯০ সালে সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর শিশুজন্মহার ছিল ৩৭ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রে গত কয়েক বছরে জন্মহার কমেছে। আর তুলনামূলকভাবে শ্বেতাঙ্গদের মাঝেই এ হার বেশি কমছে।
নিউ হ্যাম্পশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানী কিনেথ জনসন জানিয়েছেন, ২০০৮ সাল থেকে শ্বেতাঙ্গ শিশু জন্মহার ১১ দশমিক ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে, সংখ্যালঘু শিশু জন্মহার কমেছে ৩ দশমিক ২ শতাংশ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন