হাশিম আমলার ঝড়ো শতকে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডকে ৮০ রানে হারিয়ে আইসিসি ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে তিন ধরনের ক্রিকেটেই র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ওঠার কৃতিত্ব তাদেরই।
পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল এবি ডি ভিলিয়ার্সের দল। শুক্রবার ওভালে তৃতীয় ওয়ানডে।
সাউদাম্পটনের রোজ বৌলে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৮৭ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ৪০ ওভার ৪ বলে ২০৭ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রানের খাতা খুলার আগেই অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুকের বিদায়ে ইংল্যান্ডের শুরুটা ভালো হয় নি। দ্বিতীয় উইকেটে জোনাথন ট্রটের (২৩) সঙ্গে ইয়ান বেলের ৬৪ রানের জুটি ধাক্কা সামাল দেয়ার চেষ্টা করে। ট্রট মর্নে মরকেলের বলে ডিন এলগারের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হলে ভাঙ্গে অতিথিদের জন্য বিপদজনক হয়ে উঠা এই জুটি।
এরপর বেশিক্ষণ টেকেন নি বেলও (৪৫)। রবিন পিটারসনের বলে বেল বোল্ড হয়ে বিদায় নেয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা স্বাগতিক ব্যাটসম্যানদের বেশ চাপে ফেলে।
এরপর দুই অঙ্কের কোঠায় পৌঁছালেও রবি বোপারা (১৬), ইয়ন মর্গান (২৭) ও ক্রেইগ কিসওয়েটার (২০) বিদায় নিলে বেশ চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। রানের খাতা খুলার আগেই টিম ব্রেসন্যান ও গ্রায়েম সোয়ানের বিদায় স্বাগতিকদের বিপদ বাড়ায় আরো। সেখান থেকে দশম উইকেটে স্টিভেন ফিনের (১৫*) সঙ্গে সমতি প্যাটেলের (৪৫) ৩৭ রানের জুটির সৌজন্যে কোনমতে দুশ পেরোয় ইংল্যান্ড।
দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে মরকেল, ওয়েইন পার্নেল ও পিটারসন দুটি করে উইকেট নেন।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে গ্রায়েম স্মিথের (৫২) সঙ্গে আমলার ৮৯ রানের উদ্বোধনী জুটি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ভালো সূচনা এনে দেয়। শুরুতে খুব সতর্ক থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা আক্রমণে যাওয়া স্মিথকে কিসওয়েটারের ক্যাচ বানিয়ে স্বাগতিকদের জন্য বিপদজনক হয়ে উঠা এ জুটি ভাঙ্গেন ব্রেসন্যান।
দুর্ভাগ্যজনক রান আউট হওয়া জেপি ডুমিনি (১৪) ও সোয়ানের বলে বোল্ড হওয়া এলগার (১৫) বিশের কোঠায় পৌঁছাতে পারেন নি। তারপরও তাদের সঙ্গে ৩২ ও ৪৪ রানের ছোট কিন্তু কার্যকর দুটি জুটি গড়েন আমলা।
চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্সের (২৮) সঙ্গে ৬৫ ও পঞ্চম উইকেটে ফাফ দ্যু প্লেসিসের (২২*) সঙ্গে ৫৫ রানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে তিনশ রানের কাছাকাছি নিয়ে যান আমলা।
পঞ্চাশতম ওভারের চতুর্থ বলে দলীয় ২৮৫ রানে ফিনের বলে ব্রেসন্যানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ১৫০ রান করেন আমলা। ওয়ানডেতে এটিই তার সর্বোচ্চ। তার ১২৪ বলের ইনিংসে ১৬টি চার।
৫০ রানে ২ উইকেট নিয়ে সোয়ান ইংল্যান্ডের সেরা বোলার।

hey gues
উত্তরমুছুন