ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) নির্বাচন স্থগিতের আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আবেদনের ওপর ১১ অক্টোবর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে। গতকাল রোববার চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ইসির এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানির এ দিন ধার্য করেন।
এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে এর আগে হাইকোর্ট ডিসিসি নির্বাচনী কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। এতে স্থগিতাদেশ চেয়ে ইসির পক্ষে গতকাল জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী আদালতে আবেদনটি তুলে ধরেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। আর রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
পরে এম আই ফারুকী প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্টের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে ইসির পক্ষে এই আবেদনটি করা হয়। চেম্বার বিচারপতি স্থগিতাদেশ না দিয়ে ১১ অক্টোবর আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দিয়েছেন।
গত ৯ এপ্রিল ঘোষিত তফসিল অনুসারে ২৪ মে ডিসিসি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের কয়েকটি ধারা বাস্তবায়ন না করায় ওই নির্বাচন বন্ধ রাখার দাবি জানিয়ে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে হাইকোর্টে রিটটি করা হয়। শুনানি নিয়ে ১৬ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রুল জারি করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। একইসঙ্গে এ সময়ের মধ্যে আইন অনুসরণ করে কাউন্সিলরের সংখ্যা ও ওয়ার্ডের সংখ্যাও নির্ধারণ
করতে বলা হয়। এ ছাড়া ভোটের তিন মাস আগে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতেও বলা হয়।
এ ছাড়া রুলে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন-২০০৯ অনুসারে করপোরেশনকে ওয়ার্ড বিভক্ত করা ও ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ধারা বাস্তবায়ন করে কেন নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও স্থানীয় সরকার সচিবসহ আট বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। সর্বশেষ স্থগিতাদেশের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য অপর একটি বেঞ্চে আবেদন করে রিটকারী পক্ষ। শুনানি নিয়ে ২৩ জুলাই হাইকোর্ট নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করে দেওয়া আদেশের মেয়াদ
আরও তিন মাস বাড়ান। এর বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে ইসি আবেদন করে বলে জানা গেছে।
এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে এর আগে হাইকোর্ট ডিসিসি নির্বাচনী কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। এতে স্থগিতাদেশ চেয়ে ইসির পক্ষে গতকাল জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী আদালতে আবেদনটি তুলে ধরেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। আর রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
পরে এম আই ফারুকী প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্টের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে ইসির পক্ষে এই আবেদনটি করা হয়। চেম্বার বিচারপতি স্থগিতাদেশ না দিয়ে ১১ অক্টোবর আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দিয়েছেন।
গত ৯ এপ্রিল ঘোষিত তফসিল অনুসারে ২৪ মে ডিসিসি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের কয়েকটি ধারা বাস্তবায়ন না করায় ওই নির্বাচন বন্ধ রাখার দাবি জানিয়ে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে হাইকোর্টে রিটটি করা হয়। শুনানি নিয়ে ১৬ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রুল জারি করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। একইসঙ্গে এ সময়ের মধ্যে আইন অনুসরণ করে কাউন্সিলরের সংখ্যা ও ওয়ার্ডের সংখ্যাও নির্ধারণ
করতে বলা হয়। এ ছাড়া ভোটের তিন মাস আগে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতেও বলা হয়।
এ ছাড়া রুলে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন-২০০৯ অনুসারে করপোরেশনকে ওয়ার্ড বিভক্ত করা ও ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ধারা বাস্তবায়ন করে কেন নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও স্থানীয় সরকার সচিবসহ আট বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। সর্বশেষ স্থগিতাদেশের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য অপর একটি বেঞ্চে আবেদন করে রিটকারী পক্ষ। শুনানি নিয়ে ২৩ জুলাই হাইকোর্ট নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করে দেওয়া আদেশের মেয়াদ
আরও তিন মাস বাড়ান। এর বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে ইসি আবেদন করে বলে জানা গেছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন