Desh News: জালিয়াতির মাধ্যমে হলমার্ক গ্রুপের সোনালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতিমধ্যে এ ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের আট কর্মকর্তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্ত দল।
গতকাল রোববার সকালে দুদক কার্যালয়ে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল করপোরেট শাখার আট কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কমিশনের তদন্ত দল। তদন্তের স্বার্থে ওই আট কর্মকর্তার পরিচয় প্রকাশ করতে চায়নি তারা। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শাখা ব্যবস্থাপক এ কে এম আজিজুর রহমান ছাড়াও ওই শাখার কর্মকর্তা সাইফুল হাসান, আবদুল মতিন, মিহির চন্দ্র মজুমদার, উজ্জ্বল কিশোর ধর, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, উকিল উদ্দিন আহমেদ ও সাইদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।
একই সঙ্গে ওই ব্যাংক শাখায় হলমার্ক গ্রুপের লেনদেন ও ঋণসংক্রান্ত বেশ কিছু নথিপত্রও কার্যালয়ে আনিয়েছে তদন্ত দল। এ ছাড়া ব্যাংক থেকে তুলে নেওয়া অর্থ হলমার্কসহ অন্যান্য অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশে পাচার করেছে কি না, তা-ও অনুসন্ধান করে দেখছে দুদক। হলমার্ক গ্রুপের দুই হাজার ৬৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার ঘটনায় হলমার্ক গ্রুপের পাশাপাশি সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তাদের কে কে কোন কোন পর্যায়ে জড়িত, তা-ও অনুসন্ধান করছে দুদক।
এর আগে কমিশনের বৈঠকে হলমার্কের দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়। দুদকের উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে কমিটিতে রয়েছেন উপপরিচালক এ এস এম আখতার হামিদ ভূঞা, সহকারী পরিচালক নাজমুস সাদাত ও মো. মশিউর রহমান, উপসহকারী পরিচালক মো. মজিবুর রহমান ও মো. জয়নুল আবেদীন।
এ বিষয়ে দুদক সূত্র জানায়, ব্যাংকের লিখিত অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সোনালী ব্যাংকের ওই শাখা থেকে অর্থ উত্তোলন ও আত্মসাতের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কমিশন। হলমার্কের মালিক-পরিচালকের পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে হিসাব নিয়ন্ত্রণ এবং সংশ্লিষ্ট শাখা কার্যালয়—সবগুলো মিলিয়ে প্রায় ৩০-৩৫ ব্যাংক কর্মকর্তার বিষয়েও অনুসন্ধান করা হবে। হলমার্কসহ আরও ছয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট তিন হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল রোববার সকালে দুদক কার্যালয়ে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল করপোরেট শাখার আট কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কমিশনের তদন্ত দল। তদন্তের স্বার্থে ওই আট কর্মকর্তার পরিচয় প্রকাশ করতে চায়নি তারা। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শাখা ব্যবস্থাপক এ কে এম আজিজুর রহমান ছাড়াও ওই শাখার কর্মকর্তা সাইফুল হাসান, আবদুল মতিন, মিহির চন্দ্র মজুমদার, উজ্জ্বল কিশোর ধর, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, উকিল উদ্দিন আহমেদ ও সাইদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।
একই সঙ্গে ওই ব্যাংক শাখায় হলমার্ক গ্রুপের লেনদেন ও ঋণসংক্রান্ত বেশ কিছু নথিপত্রও কার্যালয়ে আনিয়েছে তদন্ত দল। এ ছাড়া ব্যাংক থেকে তুলে নেওয়া অর্থ হলমার্কসহ অন্যান্য অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশে পাচার করেছে কি না, তা-ও অনুসন্ধান করে দেখছে দুদক। হলমার্ক গ্রুপের দুই হাজার ৬৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার ঘটনায় হলমার্ক গ্রুপের পাশাপাশি সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তাদের কে কে কোন কোন পর্যায়ে জড়িত, তা-ও অনুসন্ধান করছে দুদক।
এর আগে কমিশনের বৈঠকে হলমার্কের দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়। দুদকের উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে কমিটিতে রয়েছেন উপপরিচালক এ এস এম আখতার হামিদ ভূঞা, সহকারী পরিচালক নাজমুস সাদাত ও মো. মশিউর রহমান, উপসহকারী পরিচালক মো. মজিবুর রহমান ও মো. জয়নুল আবেদীন।
এ বিষয়ে দুদক সূত্র জানায়, ব্যাংকের লিখিত অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সোনালী ব্যাংকের ওই শাখা থেকে অর্থ উত্তোলন ও আত্মসাতের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কমিশন। হলমার্কের মালিক-পরিচালকের পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে হিসাব নিয়ন্ত্রণ এবং সংশ্লিষ্ট শাখা কার্যালয়—সবগুলো মিলিয়ে প্রায় ৩০-৩৫ ব্যাংক কর্মকর্তার বিষয়েও অনুসন্ধান করা হবে। হলমার্কসহ আরও ছয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট তিন হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন