Desh News: মসজিদ-মাদ্রাসার ইমাম ও আলেমরা যাতে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা অনুসরণ করেন সেটি নিশ্চিত করতে জাতীয় ভিত্তিতে নজরদারি কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। এ কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চল্লিশ হাজার কর্মীকে নিযুক্ত করা হয়েছে। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল।
ভারতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই’কে (প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া) সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, ‘‘সত্যিকারের ইসলামি শিক্ষার আলোকে আমরা জঙ্গিত্বের বিরুদ্ধে যে নির্দেশনা দিয়েছি তা এই ইমাম বা খতিবরা অনুসরণ করছে কি না তা তারা দেখতে এবং মসজিদগুলো নজরদারি করতে আমরা আমাদের চল্লিশ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়োজিত করেছি।’’
‘মসজিদ মাদ্রাসাগুরোতে নজরদারি শুরু করেছে বাংলাদেশ’ শীর্ষক খবরে বলা হয় বাংলাদেশ ‘জঙ্গি ও উগ্রপন্থিদের হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে’।
সামীম মোহাম্মদ আফজাল জানান, জুমা’র নামাজের জামায়াতে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে, এবং ঘৃণা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে ভালোবাসার চেতনাকে প্রধান হিসেবে তুলে ধরে ইমাম ও খতিবদের বক্তব্য দেয়ার কথা। এ বক্তব্য দেয়া হচ্ছে কি না তা দেখতে ফাউন্ডেশনের নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জুমার জামায়াতগুলোতে নজরদারি করবেন।
ইসলামি ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক জানান, এর আগে তারা দেশের দুই লাখ সত্তর হাজার মসজিদ ও এক লাখের বেশি মাদ্রাসায় দুটি বইয়ের অনুলিপি বিতরণ করেছেন।
ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা পিটিআইকে জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যেই একটি জঙ্গীবাদ বিরোধি সেল গঠন করেছেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন