মাটির নিচে ফরদৌ পরমাণু প্রকল্পে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সেন্ট্রিফিউজের সংখ্যা দ্বিগুণ করেছে ইরান। গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘ একথা জানিয়েছে। ফলে ধারণা করা হচ্ছে যে, ইসরায়েলি হামলার হুমকি ও পশ্চিমা অর্থনৈতিক চাপ সত্ত্বেও পরমাণু প্রকল্প সমপ্রসারণ অব্যাহত রেখেছে দেশটি। সূত্র : বিবিসি।
রাজধানী তেহরান থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে শিয়াদের পবিত্র শহর কওমের কাছে ফরদৌ পরমাণু প্রকল্পের অবস্থান। প্রকল্পটিতে সেন্ট্রিফিউজের পরিমাণ বাড়িয়ে আগের ১ হাজার ৬৪টির জায়গায় ২ হাজার ১৪০টি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএইএ। ইরানের ওপর প্রকাশিত ত্রৈমাসিক ওই প্রতিবেদনে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কমিশন (আইএইএ) আরো জানায়, আইএইএ পরিদর্শন করতে চেয়েছিল এমন একটি সামরিক এলাকার (পার্চিন) সব ভবন ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে ও মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপকে পশ্চিমা কূটনীতিকরা গোপন পরমাণু পরীক্ষার সাক্ষ্য নষ্ট করার প্রচেষ্টা বলে সন্দেহ করছেন। আইএইএ পরিদর্শকদের এখনো পার্চিন পরমাণু প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের অনুমতি দেয়নি ইরানি কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী তেহরান থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে শিয়াদের পবিত্র শহর কওমের কাছে ফরদৌ পরমাণু প্রকল্পের অবস্থান। প্রকল্পটিতে সেন্ট্রিফিউজের পরিমাণ বাড়িয়ে আগের ১ হাজার ৬৪টির জায়গায় ২ হাজার ১৪০টি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএইএ। ইরানের ওপর প্রকাশিত ত্রৈমাসিক ওই প্রতিবেদনে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কমিশন (আইএইএ) আরো জানায়, আইএইএ পরিদর্শন করতে চেয়েছিল এমন একটি সামরিক এলাকার (পার্চিন) সব ভবন ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে ও মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপকে পশ্চিমা কূটনীতিকরা গোপন পরমাণু পরীক্ষার সাক্ষ্য নষ্ট করার প্রচেষ্টা বলে সন্দেহ করছেন। আইএইএ পরিদর্শকদের এখনো পার্চিন পরমাণু প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের অনুমতি দেয়নি ইরানি কর্তৃপক্ষ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন