লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজারে সন্ত্রাসী জিসান বাহিনীর সঙ্গে পুলিশের বন্দুক যুদ্ধ ও ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। এ সময় পুলিশ ৬৯ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে। এতে দুই পুলিশসহ আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সন্ত্রাসী জিসান বাহিনীর ৪০/৫০ জন সদস্য অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ঈদের বাজারের দোকানিদের কাছে মোটা অংকের চাঁদা তুলতে যায়। এ সময় পুলিশ খবর পেয়ে তাদের গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের গোলাগুলি শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই বন্দুক যুদ্ধে কনস্টেবল সফিক ও বোরহান আহত হয়েছেন। তাদের দুই পুলিশকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে, পুলিশের গুলিতে সন্ত্রাসীদের অন্তত আট জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদেরকে গোপনে নোয়াখালীর বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জিসান বাহিনীর সন্ত্রাসী সুমন, সবুজ ও ফয়সালকে গ্রেফতার করেছে। চন্দ্রগ্ঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আবুল বাসার পুলিশের ৬৯ রাউন্ড গুলিবর্ষণের কথা সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেছেন। এছাড়া ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এক মাস আগে পাঁচ লাখ টাকার চাঁদার দাবিতে ওই বাহিনীর হাতে চন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহসিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সন্ত্রাসী জিসান বাহিনীর ৪০/৫০ জন সদস্য অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ঈদের বাজারের দোকানিদের কাছে মোটা অংকের চাঁদা তুলতে যায়। এ সময় পুলিশ খবর পেয়ে তাদের গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের গোলাগুলি শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই বন্দুক যুদ্ধে কনস্টেবল সফিক ও বোরহান আহত হয়েছেন। তাদের দুই পুলিশকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে, পুলিশের গুলিতে সন্ত্রাসীদের অন্তত আট জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদেরকে গোপনে নোয়াখালীর বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জিসান বাহিনীর সন্ত্রাসী সুমন, সবুজ ও ফয়সালকে গ্রেফতার করেছে। চন্দ্রগ্ঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আবুল বাসার পুলিশের ৬৯ রাউন্ড গুলিবর্ষণের কথা সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেছেন। এছাড়া ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এক মাস আগে পাঁচ লাখ টাকার চাঁদার দাবিতে ওই বাহিনীর হাতে চন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহসিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন