এ ঘটনায় জিন্নাত আলীর স্ত্রী কাজী শিরিন আক্তার রুপম চন্দ্র দে এবং মনোয়ার হোসেন টাপ্পুকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন ।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, জিন্নাত আলী তার মেয়েকে উত্যক্তকারী রুপম চন্দ্র দে’র নামে থানায় জিডি করেন। এ কথা জানতে পেরে ক্ষিপ্ত রুপম তার সঙ্গী টাপ্পুকে নিয়ে গত বছরের ২৫ নভেম্বর রাতে জিন্নাত আলীকে তারই বাসার কাছে বসে ছুরিকাঘাত করে । রাতেই তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থার অবনতি হতে থাকলে পরদিন এ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা পাঠানোর পথে গৌরনদীতে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন ।
নগরীর রুপাতলী এ ওয়াহেদ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা জিন্নাত আলীর মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে শিক্ষক-শিক্ষর্থীসহ সর্বস্তরের মানুষ। হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন। পুলিশ রুপমকে ২৮ নভেম্বর যশোর সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন