এবারো ঈদের ছুটিতে হাজারো পর্যটক ভিড় জমাবে বান্দরবানে। দিগন্ত জোড়া সবুজে ঢাকা পাহাড় আর ঝর্ণাগুলো কাছে টানবে পর্যটকদের।
আর এ কারণে ঈদের আগে ভাগেই বুকিং হয়ে গেছে শহরের হোটেল মোটেল কর্টেজ ও পর্যটন কেন্দ্রগুলো।
বান্দরবানের ১১টি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বৈচিত্রপূর্ণ সংস্কৃতি আর পাহাড়ের সারি যে কাউকেই মুগ্ধ করে। আর এ কারণেই পর্যটকদের কাছে এখন প্রিয় এখন পার্বত্য জেলা বান্দরবান। ঈদের পরদিন থেকেই পর্যটকরা আসা শুরু করবে বলে জানিয়েছেন হোটেল মোটেল এর মালিকরা।
জেলা হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদের পর টানা দুই সাপ্তাহ বুকিং হয়ে গেছে হোটেল মোটেলগুলো। ঈদের পর ২৩ ও ২৪ আগস্ট বোমাং রাজার রাজকীয় শেষকৃত্য অনুষ্ঠান থাকায় এবার পর্যটক বেশি আসবে বলে আশা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
বান্দরবানের যেসব জায়গা পর্যটকদের কাছে বেশি প্রিয় তার মধ্যে মেঘলা, প্রান্তিক লেক, নীলাচল, চিম্বুক পাহাড়, নীল গিরি অন্যতম। এর বাইরে রুমার রিজুক ঝর্ণা, থানছির রেমাক্রী তিন্দুর সাংঙ্গু নদীর পাথর ঝর্ণা, রুমায় পাহাড়ের উচুতে বগালেক, কেউক্রাডাং তাজিংডং পাহাড় এসবই পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দিবে।
জেলা শহরের কাছে মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ জানায় শহরের কাছে এই পর্যটন কেন্দ্রে সব চেয় বেশি পর্যটক বেড়াতে আসে। এখানে ঈদের পরের দিন থেকে প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকার টিকিট বিক্রি হয়। গত দুবছর ধরে মেঘলার ক্যাবল কারটি পর্যটকদের বাড়তি আনান্দ দিচ্ছে। এছাড়া নীলাচল নীলগিড়ি চিম্বুক দেখতেই পর্যটকরা বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পর্যটকরা একই সঙ্গে বান্দরবান ঘুরে কক্সবাজারে ছুটে যাচ্ছে। দুটি পর্যটন কেন্দ্র কাছাকাছি হওয়ায় এ সময়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়েছে।
তবে পর্যটকরা অভিযোগ করেছেন পর্যটন কেন্দ্রগুলোর তেমন কোনো উন্নয়ন করা হয়নি। পর্যটকদের খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে ঘুরে বেড়ানো সব দিকেই সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে পর্যটকরা জানান।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক কেএম. তারিকুল ইসলাম জানান, পর্যটন কেন্দ্রগুলোর উন্নয়নে অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি প্রশাসনে পক্ষ থেকেও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পর্যটকরা বান্দরবানে বেড়াতে এসে যাতে কোনো সমস্যায় না পড়ে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন