রাজধানীতে অস্বাভাবিক মৃত্যু বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে ৫৭৭ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে বিষপান, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে, চেতনানাশক খেয়ে, গুলি করে, ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
এ ব্যাপারে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কাজী গোলাম মুখলেসুর রহমান জানান, অধিকাংশ অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় বিষপানে ও ঝুলন্ত অবস্থায়। তাছাড়া গুলি করে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজেকে আঘাত করে ও বিষাক্ত দ্রব্য দিয়ে তৈরি খাদ্যবস্তু খাওয়ায় অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়ে থাকে। এছাড়া অনেকেই ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। তবে এ ঘটনা কম ঘটে থাকে। এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিটি) মাসউদুর রহমান জানান, রাজধানীতে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়। লাশের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর যদি দেখা যায় অস্বাভাবিক মৃত্যু, পরিকল্পিত হত্যা, তাহলে সেই মামলা সচল হয়। যদি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে কোনো নেতিবাচক তথ্য পাওয়া না যায়, তাহলে মামলাটি এমনিতেই নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য পুলিশ কোনো দুর্নীতি করে কিনা—এ ব্যাপারে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী ড. নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের যখন বাঁচার সব পথ বন্ধ হয়ে যায়, তখন সে আত্মহত্যা করে থাকে। বাঁচার পথে যেসব নেতিবাচক বাধা আছে, সেগুলোকে দূর করতে হবে। সবার মাঝে জীবন সম্বন্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। মানবজীবন কষ্ট, বেদনা, শোক, হাসি, কান্না, আনন্দ নিয়ে গঠিত। সাময়িক ক্ষতির জন্য মহামূল্যবান জীবনকে বিনষ্ট করে দেয়া একেবারেই অপ্রত্যাশিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি ব্যক্তিগত জীবনবোধ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
জানা যায়, জানুয়ারিতে ৬৭, ফেব্রুয়ারিতে ৭২, মার্চে ৯৬, এপ্রিলে ৯৬, মে’তে ৭৬, জুনে ৬৮, জুলাইয়ে ১০২ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
গত ৩ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ মাতুয়াইলে হাফিজ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি কারখানায় মিজান আলম নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ১৮ জানুয়ারি মিরপুর মাজার রোডে অবস্থিত মদিনা মসজিদের নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় রেজাউল করিম নামে এক নির্মাণ শ্রমিক মারা যান। ৩১ জানুয়ারি গোপীবাগে শেয়ারবাজারে নিজের সব বিনিয়োগ হারিয়ে লিয়াকত আলী যুবরাজ নামে এক ব্যক্তি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। বছরের এটি আলোচিত অস্বাভাবিক মৃত্যু।
৯ ফেবু্রয়ারি মিরপুরের মোগড়া এলাকায় অবস্থিত মোহাম্মদিয়া আলিয়া মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ইয়াকুব আলী নামে এক ছাত্রের মাথার ওপর ক্রিকেট বল পড়ে করুণ মৃত্যু হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি সবুজবাগের উত্তর বাসাবোর ৫৫/৭ নম্বর ভাড়া বাসায় এসএসসির ফল খারাপ হওয়ায় নাসরিন নামে এক ছাত্রী আত্মহত্যা করে। ১৪ মার্চ ১১৬, এলিফ্যান্ট রোডের নিজ বাসায় আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে শামসুন্নাহার নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। ১৮ মার্চ শাহজাহানপুর রেল কলোনির এ/৩ নম্বর ভবনের ৪র্থ তলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ’র শিক্ষার্থী রাসেল। ৩১ মার্চ খিলক্ষেতের রিজেন্স হোটেলের কক্ষে ঘুমের বড়ি খেয়ে আত্মহত্যা করেন একসময়ের সাপ্তাহিক বিচিন্তা সম্পাদক মিনার মাহমুদ।
১ এপ্রিল মতিঝিলের ৪৪, উত্তর কমলাপুরে নিজ বাসায় দুদক কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন সিলিং ফ্যানের সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। ২৫ এপ্রিল রামপুরার বনশ্রীর বাসা নম্বর ৩১, রোড নম্বর ৫, ব্লক বি’র হিন্দু প্রেমিক অম্লানের বাসায় রুবিনা সুলতানা তন্বি নামে ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ’র ছাত্রী সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। ৮ মে খিলগাঁওয়ের মাদারটেক এলাকায় ছাদ থেকে পড়ে ফারুক হাওলাদার নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ১১ মে মতিঝিলের টিটিপাড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে তুষার নামে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়। ১৯ মে রামপুরার বনশ্রীর ৫৯ নম্বর রোডের ৩৫ নম্বরের ‘এ’ ব্লকের বাসায় বাথরুমের ভ্যান্টিলেটরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে চম্পা আক্তার নামে এক গৃহকর্মী আত্মহত্যা করে। ২২ জুন পল্লবীর পূরবী সিনেমা হলের বিপরীত ৩০ নম্বর প্লটে কাজ করার সময় ১০ নং ভবনের চতুর্থ তলায় লিফটের ফাঁক দিয়ে নিচে পড়ে মিলন সরকার নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ২৭ জুন যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালীর ৬১ নম্বর বাসায় মো. সায়েম নামে এক কলেজছাত্র সিলিং ফ্যানের সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
১২ জুলাই যাত্রাবাড়ীর গোপীবাগ বাজার সংলগ্ন ডিম গলির ভাড়া বাসায় গলায় ছুরি চালিয়ে আনোয়ার হোসেন নামে এক অটোরিকশা চালক আত্মহত্যা করেন। ১০ জুলাই চকবাজারের ৭৯ নং খাজে দেওয়ানে ফিনল্যান্ড পলিথিন ফ্যাক্টরিতে কাজ করার সময় বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে আকাশ নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ৩১ জুলাই যাত্রাবাড়ীর ৭৮বি/২১/এ নম্বর বাসায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে রৌশন জাহান রিতা নামের এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করে।
এ ব্যাপারে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কাজী গোলাম মুখলেসুর রহমান জানান, অধিকাংশ অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় বিষপানে ও ঝুলন্ত অবস্থায়। তাছাড়া গুলি করে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজেকে আঘাত করে ও বিষাক্ত দ্রব্য দিয়ে তৈরি খাদ্যবস্তু খাওয়ায় অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়ে থাকে। এছাড়া অনেকেই ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। তবে এ ঘটনা কম ঘটে থাকে। এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিটি) মাসউদুর রহমান জানান, রাজধানীতে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়। লাশের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর যদি দেখা যায় অস্বাভাবিক মৃত্যু, পরিকল্পিত হত্যা, তাহলে সেই মামলা সচল হয়। যদি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে কোনো নেতিবাচক তথ্য পাওয়া না যায়, তাহলে মামলাটি এমনিতেই নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য পুলিশ কোনো দুর্নীতি করে কিনা—এ ব্যাপারে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী ড. নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের যখন বাঁচার সব পথ বন্ধ হয়ে যায়, তখন সে আত্মহত্যা করে থাকে। বাঁচার পথে যেসব নেতিবাচক বাধা আছে, সেগুলোকে দূর করতে হবে। সবার মাঝে জীবন সম্বন্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। মানবজীবন কষ্ট, বেদনা, শোক, হাসি, কান্না, আনন্দ নিয়ে গঠিত। সাময়িক ক্ষতির জন্য মহামূল্যবান জীবনকে বিনষ্ট করে দেয়া একেবারেই অপ্রত্যাশিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি ব্যক্তিগত জীবনবোধ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
জানা যায়, জানুয়ারিতে ৬৭, ফেব্রুয়ারিতে ৭২, মার্চে ৯৬, এপ্রিলে ৯৬, মে’তে ৭৬, জুনে ৬৮, জুলাইয়ে ১০২ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
গত ৩ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ মাতুয়াইলে হাফিজ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি কারখানায় মিজান আলম নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ১৮ জানুয়ারি মিরপুর মাজার রোডে অবস্থিত মদিনা মসজিদের নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় রেজাউল করিম নামে এক নির্মাণ শ্রমিক মারা যান। ৩১ জানুয়ারি গোপীবাগে শেয়ারবাজারে নিজের সব বিনিয়োগ হারিয়ে লিয়াকত আলী যুবরাজ নামে এক ব্যক্তি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। বছরের এটি আলোচিত অস্বাভাবিক মৃত্যু।
৯ ফেবু্রয়ারি মিরপুরের মোগড়া এলাকায় অবস্থিত মোহাম্মদিয়া আলিয়া মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ইয়াকুব আলী নামে এক ছাত্রের মাথার ওপর ক্রিকেট বল পড়ে করুণ মৃত্যু হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি সবুজবাগের উত্তর বাসাবোর ৫৫/৭ নম্বর ভাড়া বাসায় এসএসসির ফল খারাপ হওয়ায় নাসরিন নামে এক ছাত্রী আত্মহত্যা করে। ১৪ মার্চ ১১৬, এলিফ্যান্ট রোডের নিজ বাসায় আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে শামসুন্নাহার নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। ১৮ মার্চ শাহজাহানপুর রেল কলোনির এ/৩ নম্বর ভবনের ৪র্থ তলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ’র শিক্ষার্থী রাসেল। ৩১ মার্চ খিলক্ষেতের রিজেন্স হোটেলের কক্ষে ঘুমের বড়ি খেয়ে আত্মহত্যা করেন একসময়ের সাপ্তাহিক বিচিন্তা সম্পাদক মিনার মাহমুদ।
১ এপ্রিল মতিঝিলের ৪৪, উত্তর কমলাপুরে নিজ বাসায় দুদক কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন সিলিং ফ্যানের সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। ২৫ এপ্রিল রামপুরার বনশ্রীর বাসা নম্বর ৩১, রোড নম্বর ৫, ব্লক বি’র হিন্দু প্রেমিক অম্লানের বাসায় রুবিনা সুলতানা তন্বি নামে ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ’র ছাত্রী সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। ৮ মে খিলগাঁওয়ের মাদারটেক এলাকায় ছাদ থেকে পড়ে ফারুক হাওলাদার নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ১১ মে মতিঝিলের টিটিপাড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে তুষার নামে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়। ১৯ মে রামপুরার বনশ্রীর ৫৯ নম্বর রোডের ৩৫ নম্বরের ‘এ’ ব্লকের বাসায় বাথরুমের ভ্যান্টিলেটরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে চম্পা আক্তার নামে এক গৃহকর্মী আত্মহত্যা করে। ২২ জুন পল্লবীর পূরবী সিনেমা হলের বিপরীত ৩০ নম্বর প্লটে কাজ করার সময় ১০ নং ভবনের চতুর্থ তলায় লিফটের ফাঁক দিয়ে নিচে পড়ে মিলন সরকার নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ২৭ জুন যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালীর ৬১ নম্বর বাসায় মো. সায়েম নামে এক কলেজছাত্র সিলিং ফ্যানের সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
১২ জুলাই যাত্রাবাড়ীর গোপীবাগ বাজার সংলগ্ন ডিম গলির ভাড়া বাসায় গলায় ছুরি চালিয়ে আনোয়ার হোসেন নামে এক অটোরিকশা চালক আত্মহত্যা করেন। ১০ জুলাই চকবাজারের ৭৯ নং খাজে দেওয়ানে ফিনল্যান্ড পলিথিন ফ্যাক্টরিতে কাজ করার সময় বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে আকাশ নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ৩১ জুলাই যাত্রাবাড়ীর ৭৮বি/২১/এ নম্বর বাসায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে রৌশন জাহান রিতা নামের এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন