গাজীপুর-৪ আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেবে না মহাজোটের অন্যতম শরিক সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের জাতীয় পার্টি। আজ সোমবার জাতীয় পার্টির সংসদীয় বোর্ডের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলাম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে জাতীয় পার্টির সংসদীয় বোর্ড গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের উপনির্বাচনে কোনো প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে গতকাল রোববার বনানীতে জাপার চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সভায় গাজীপুর-৪ আসনের উপনির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতারও সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। এ বিষয়ে উপনির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীদের সাক্ষাত্কার নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু আজ আবারও গাজীপুর-৪ উপনির্বাচন অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল দলটি।
বিএনপির অনুপস্থিতিতে গাজীপুর-৪ ভোটের অঙ্ক কী দাঁড়ায়, তা দেখার জন্য আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিপরীতে প্রার্থী দিতে চেয়েছিল মহাজোটের অন্যতম শরিক এই দল। এখানে তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে সিমিন হোসেন রিমিকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। তাই জাপা যাতে ‘ওজনদার’ প্রার্থী দেয়, সে জন্য গতকাল দলের সভায় কয়েকজন নেতা প্রস্তাব করেন। এ ক্ষেত্রে জাপার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী মাহমুদ হাসানের কথা ভাবা হচ্ছে বলে দলের একটি সূত্র জানায়। কাজী মাহমুদ হাসানও এ কথা স্বীকার করেন। তিনি গত রাতে প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘আমাকে বলা হয়েছিল। কিন্তু এরশাদ সাহেবকে বলেছি, এত অল্প সময়ের জন্য আমি নির্বাচনে যেতে চাচ্ছি না।’
জাপার নেতারা মনে করছেন, সরকারের ওপর সাধারণ মানুষ ভীষণ নাখোশ। গাজীপুরের উপনির্বাচনে তাজউদ্দীন আহমদের মেয়েকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী করলেও এলাকায় দলটির ভেতরে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে দ্বন্দ্ব আছে। এ অবস্থায় ভালো প্রার্থী দিতে পারলে জাপা প্রার্থীর জেতার সম্ভাবনা আছে। ভালো প্রার্থী না পেলে শেষ পর্যন্ত জাপা নির্বাচন থেকে সরেও দাঁড়াতে পারে বলে দলটির গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা জানিয়েছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে জাতীয় পার্টির সংসদীয় বোর্ড গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের উপনির্বাচনে কোনো প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে গতকাল রোববার বনানীতে জাপার চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সভায় গাজীপুর-৪ আসনের উপনির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতারও সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। এ বিষয়ে উপনির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীদের সাক্ষাত্কার নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু আজ আবারও গাজীপুর-৪ উপনির্বাচন অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল দলটি।
বিএনপির অনুপস্থিতিতে গাজীপুর-৪ ভোটের অঙ্ক কী দাঁড়ায়, তা দেখার জন্য আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিপরীতে প্রার্থী দিতে চেয়েছিল মহাজোটের অন্যতম শরিক এই দল। এখানে তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে সিমিন হোসেন রিমিকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। তাই জাপা যাতে ‘ওজনদার’ প্রার্থী দেয়, সে জন্য গতকাল দলের সভায় কয়েকজন নেতা প্রস্তাব করেন। এ ক্ষেত্রে জাপার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী মাহমুদ হাসানের কথা ভাবা হচ্ছে বলে দলের একটি সূত্র জানায়। কাজী মাহমুদ হাসানও এ কথা স্বীকার করেন। তিনি গত রাতে প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘আমাকে বলা হয়েছিল। কিন্তু এরশাদ সাহেবকে বলেছি, এত অল্প সময়ের জন্য আমি নির্বাচনে যেতে চাচ্ছি না।’
জাপার নেতারা মনে করছেন, সরকারের ওপর সাধারণ মানুষ ভীষণ নাখোশ। গাজীপুরের উপনির্বাচনে তাজউদ্দীন আহমদের মেয়েকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী করলেও এলাকায় দলটির ভেতরে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে দ্বন্দ্ব আছে। এ অবস্থায় ভালো প্রার্থী দিতে পারলে জাপা প্রার্থীর জেতার সম্ভাবনা আছে। ভালো প্রার্থী না পেলে শেষ পর্যন্ত জাপা নির্বাচন থেকে সরেও দাঁড়াতে পারে বলে দলটির গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা জানিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন