১ ২
প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ করতে শহর ছেড়ে গ্রামে ছুটছে মানুষ। বাস, ট্রেন ও লঞ্চ সব বাহনেই ধারণ ক্ষমতার অধিক। পথে পথে নানা দুর্ঘটনায় যানজট, ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়, ফেরিঘাটে দীর্ঘ সারি। এত দুর্ভোগের পরও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার প্রশান্তি মানুষের মুখে। রাজধানীর রাস্তাঘাট ফাকা বললেই চলে। শপিংমলগুলোর সামনেই শুধু কিছুটা ভিড় দেখা যায়। রাস্তায় নেই কোনো যানজট।
কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘুরে দেখা গেছে, ঘরমুখো মানুষের ভিড়। কোনো ট্রেনই সময়সূচি অনুযায়ী আসছে বা ছাড়ছে না। এর মধ্যে আবার বৃহস্পতিবার রাজশাহী থেকে ঢাকামুখী পদ্মা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হওয়ার ২০ ঘণ্টা পর রাজশাহীর সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ শুরু হয়।
সদরঘাট লঞ্চ ঘাটের অবস্থা একই। কোনো সময়সূচি নেই। নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগেই অধিক যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যাচ্ছে লঞ্চগুলো।
অন্যদিকে বাস-ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি থামানো সম্ভব হয়নি। কমলাপুর রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন বাস টার্মিনালে যাত্রী টিকিট না পেলেও চোরাই পথে দ্বিগুণ-তিনগুণ দামে টিকিট মিলছে এখনও। টিকিটবিহীন শতশত যাত্রী কমলাপুর স্টেশন ও বাস টার্মিনালে ভিড় করেন। সরাসরি বাস না পেয়ে লোকাল বাসের ছাদে-ট্রাকে চড়ে যাত্রা করেন হাজারও মানুষ। যে করেই হোক স্বজনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতেই হবে।
গাবতলী-মহাখালি বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে যাত্রীর তুলনায় কম গাড়ি। এ সুযোগে ইচ্ছে মতো ভাড়া নিচ্ছে বাস গুলো। আনফিট ও পুরনো বাস দিয়েও যাত্রি পরিবহন করার অভিযোগ রয়েছে।
তবে এতকিছুর পরেও ঈদের কয়েকদিন আগে থেকে ছুটি শুরু হওয়ায় বিগত বছর গুলোর তুলনায় মানুষের দূর্ভোগ কিছুটা কম। সব কিছু ছাপিয়ে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ আন্দ ভাগাভাগি করার স্বপ্নে বিভোর বাড়িমুখি মানুষগুলো

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন