সিলেটের গোলাপগঞ্জের কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্রের চার নম্বর কূপে পাওয়া নতুন স্তর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) উপ মহা ব্যবস্থাপক (পরীক্ষণ) তোফায়েল আহমদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যস সরবরাহ শুরু হয়েছে।”
কৈলাসটিলার পুরনো এই কূপের সংস্কার করতে গিয়ে গত রোববার নতুন গ্যাসস্তরের সন্ধান পায় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাপেক্স। এই স্তর থেকে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ড. হোসেন মনসুর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, নতুন স্তরের গ্যাসের মজুদ সম্পর্কে নিশ্চিত ধারণা পেতে রোববার দুপুর থেকে পরীক্ষামূলক উত্তোলন ও ‘ড্রিলিং স্টেম টেস্ট’ (ডিএসটি) শুরু করা হয়।
“এটি পুরোনো গ্যাসক্ষেত্র। গ্যাসের চাপ বাড়ানোর জন্য বেশ কিছুদিন ধরে এখানে সংস্কার কাজ চলছিল। এ কাজ করতে গিয়েই চার নম্বর কূপের কাছে নতুন এই গ্যাসস্তরের সন্ধান পাওয়া যায়”, বলেন তিনি।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জানান, এই স্তরে পরীক্ষামূলক উত্তোলনে ২ হাজার ৩০০ পিএসআই (প্রেসার পার স্কয়ার ইঞ্চ) চাপ পাওয়া গেছে। এই স্তরের মোট মজুদের পরিমাণ ৪০ থেকে ৫০ বিলিয়ন ঘনফুট হতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসাইন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, নতুন এই স্তরের অবস্থান কূপের দুই হাজার ৭২২ থেকে দুই হাজার ৭২৯ মিটার গভীরতায়।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে দৈনিক দুই হাজার ৭০০ থেকে তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে দুই হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের কিছু বেশি গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) উপ মহা ব্যবস্থাপক (পরীক্ষণ) তোফায়েল আহমদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যস সরবরাহ শুরু হয়েছে।”
কৈলাসটিলার পুরনো এই কূপের সংস্কার করতে গিয়ে গত রোববার নতুন গ্যাসস্তরের সন্ধান পায় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাপেক্স। এই স্তর থেকে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ড. হোসেন মনসুর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, নতুন স্তরের গ্যাসের মজুদ সম্পর্কে নিশ্চিত ধারণা পেতে রোববার দুপুর থেকে পরীক্ষামূলক উত্তোলন ও ‘ড্রিলিং স্টেম টেস্ট’ (ডিএসটি) শুরু করা হয়।
“এটি পুরোনো গ্যাসক্ষেত্র। গ্যাসের চাপ বাড়ানোর জন্য বেশ কিছুদিন ধরে এখানে সংস্কার কাজ চলছিল। এ কাজ করতে গিয়েই চার নম্বর কূপের কাছে নতুন এই গ্যাসস্তরের সন্ধান পাওয়া যায়”, বলেন তিনি।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জানান, এই স্তরে পরীক্ষামূলক উত্তোলনে ২ হাজার ৩০০ পিএসআই (প্রেসার পার স্কয়ার ইঞ্চ) চাপ পাওয়া গেছে। এই স্তরের মোট মজুদের পরিমাণ ৪০ থেকে ৫০ বিলিয়ন ঘনফুট হতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসাইন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, নতুন এই স্তরের অবস্থান কূপের দুই হাজার ৭২২ থেকে দুই হাজার ৭২৯ মিটার গভীরতায়।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে দৈনিক দুই হাজার ৭০০ থেকে তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে দুই হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের কিছু বেশি গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন