মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডবিস্নউ মজিনা বলেছেন, ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশ অতি অল্প সময়ের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ রফতানিকারক দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করবে। এ দেশ অপার সম্ভাবনাময় একটি দেশ। বিশ্বমানের মান বজায় রেখে এদেশের ওষুধ শিল্প একদিন সারাবিশ্বে রফতানি হবে। কেননা, এ শিল্পটির উন্নয়ন যেভাবে বিকাশ লাভ করছে তাতে বিশ্বের যে কোনো দেশে ওষুধ রফতানি করার যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে। এ দেশে ওষুধ কোম্পানিগুলো যে উন্নত প্রযুক্তি ও মান নিয়ন্ত্রণ করে ওষুধ উৎপাদন করছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে সাভারের জিরাব এলাকায় অবস্থিত ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা সকাল ৯টায় ওই কারখানায় যান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মুক্তাদির ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর। এরপর মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ওই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক চিত্র অবহিত করা হয়। পরে রাষ্ট্রদূত ওই কারখানার ওষুধ প্রস্তুতি ও উৎপাদন প্রক্রিয়া, মাননিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থাসমূহ সরেজমিন বিশদভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি কারখানার সার্বিক কাজের পরিবেশ ও উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয় দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মুক্তাদির জানান, ওষুধ প্রস্তুতকারী এ প্রতিষ্ঠানটি ২০০০ সাল থেকে সিজিএমপি অনুসারে মানসম্পন্ন ওষুধ প্রস্তুত করে আসছে। দেশীয় বাজারের সঙ্গে সঙ্গে ২০০৬ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে ওষুধ রফতানি করে আসছে। বর্তমানে তারা বিশ্বের ৩৭টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে। ২০১১ সালে তাদের রফতানি আয় ছিল ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
গাজীপুরে ফেরদৌস বায়োটেক রিসার্চ সেন্টার উদ্বোধন : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডবিস্নউ মজিনা গাজীপুরে একটি বায়োটেক রিসার্চ সেন্টার উদ্বোধন করেছেন। তিনি মঙ্গলবার বিকালে সদর উপজেলার কাশিমপুরের দক্ষিণ পানিশাইল এলাকায় ফেরদৌস বায়োটেক রিসার্চ সেন্টারে পেঁৗছলে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফেরদৌসি বেগম তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সেন্টারে টিস্যুকালচারের মাধ্যমে আলু, অর্কিড এবং আদা উৎপাদন করা হয়। এছাড়া তিনি একটি কৃষক বিদ্যালয়ও উদ্বোধন করেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন