সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগ সোমবার প্র্র্র্রকাশিত এক পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলেছেন, বিভাগের বিচারক এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন উল্লেখ করে গত ১৮ জুন দেয়া স্পিকারের রুলিং সংবিধান ও আইনের অনুসারে অবৈধ, কাজেই অকার্যকর। স্পিকারের রুলিংটির বিরুদ্ধে বিভাগে আগে নিষ্পত্তিকৃত আবেদনের লিখিত রায়ে বলা হয়, রুলিংটি অবৈধ হবার ফলে এতে সংশ্লিষ্ট বিচারকের বিরুদ্ধে প্রধান বিচারপতি ব্যবস্থা নিতে পারেন বলে যা বলা হয়েছে, তার কার্যকারিতা নেই।
বিভাগের বিচারক হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও এবিএম আলতাফ হোসেনের যুগ্ম বেঞ্চ থেকে দুপুরে পূর্ণাঙ্গভাবে এ লিখিত রায় দেয়া হয়।
রায়ে বলা হয়, স্পিকারের রুলিংটি সংবিধান ও জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী অনুসারে বৈধ হয়নি। এমন রুলিং দেয়ার কোনো আইনগত সুযোগ সংবিধানে বা সংসদের কার্যপ্রণালীতে নেই। বলা হয়, সংশিষ্ট বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধান বিচারপতিকে বলা সংবিধানের ৯৬(৫) অনুচ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
আবেদন শুনানিতে আবেদনকারী পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার আখতার ইমাম এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ রায়।
এর আগে গত ১৮ জুলাই হাই কোর্টের সাবেক বিচারক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ কে এম শফিউদ্দিন বাদী হয়ে স্পিকারের রুলিংয়ের বিরুদ্ধে আবেদনটি দায়ের করেন। প্রতিবেদনে হাই কোর্ট বিভাগের বিচারক এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে স্পিকারের রুলিং কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের রুলিং বা আদেশ জারি করা না হয় সে নির্দেশনা চাওয়া হয়। পরে গত ২৪ জুলাই শুনানি শেষে বিচারক হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও এ বি এম আলতাফ হোসেনের যুগ্ম বেঞ্চ আবেদনটি নিষ্পত্তি করে দেন।
আদালত বলেন, আবেদন নিষ্পত্তি করলেও কোনো রুল দেয় হবে না, পর্যবেক্ষণ দেয়া হবে। সোমবার সেই পর্যবেক্ষণ দিলেন আদালত।
প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের জমি নিয়ে হাই কোর্টের আদেশের বিষয় উত্থাপিত হলে স্পিকার আবদুল হামিদ গত ২৯ মে সংসদে বলেছিলেন, দেশের মানুষের বিচারের ক্ষেত্রে বছরের পর বছর লেগে যাবে আর নিজেদের বিষয় বলে বিচার বিভাগ ঝটপট সিদ্ধান্ত দেবেন, এটি ভালো দেখায় না। আদালতের রায়ে ক্ষুব্ধ হলে জনগণ বিচার বিভাগের বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়াতে পারে। পরে ৫ জুন হাই কোর্ট বিভাগের বিচারক এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পিকারের এ বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। সংসদে স্পিকার আবদুল হামিদের দেয়া বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক হিসেবে অভিহিত করেন তার নেতৃত্ব থাকা হাই কোর্ট বেঞ্চ। আদালতের এ মন্তব্যের পর ওই দিন সন্ধ্যায়ই সংসদে এই বিচারকের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করে বিচারককে অপসারণের দাবি জানান। ১৮ জুন স্পিকার আবদুল হামিদ রুলিং দেন। সংশ্লিষ্ট বিচারক সংবিধানের ৭৮(১) অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন উল্লেখ করেছেন উল্লেখ করলেও রুলিং-এ বিচারকের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠনের দাবি প্রত্যাহারের জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান স্পিকার। এ বিচারকের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার ভার প্রধান বিচারপতির ওপর ছেড়ে দেন স্পিকার।
রায়ে যা বলা হয়েছে
ইংরেজি ভাষায় লিখিত ৩৮ পৃষ্টার রায়ে সংবিধানের বিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি’র বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে রায়ে আদালত বলছে, একজন বিচারক সংবিধানের ৭৮ (১) অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন এবং এ বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে তা প্রধান বিচারপতি ভেবে ঠিক করবেন; এ মর্মে দেয়া স্পিকারের রুলিংয়ের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই এবং আইনের দৃষ্টিতে অস্তিত্বহীন। স্পিকারের ওই অভিমতের কোনো আইনগত কার্যকারিতা নেই।
রায়ে বলা হয়েছে, স্পিকারের অভিমত যে, ‘একই সঙ্গে বলবো আদালতের এ ধরনের আচরণের কী করণীয় থাকতে পারে মাননীয় প্রধান বিচারপতি সে বিষয়টি ভেবে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন...।’’ এটি সংবিধানের ৯৬(৫) অনুচ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। স্পিকারের রুলিং সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিষয়ে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর রা.-এর কার্যকলাপের উদাহরণ টেনে হাই কোর্ট বলেন, হযরত ওমর কার্যত প্রশাসন থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করেছিলেন। তিনি আবু দারদা রা.-কে মদিনা, আবু মুসা আল আশারী রা.-কে কুফা এবং সুরাইয়া রা.কে বসরার বিচারক নিয়োগ করে পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে সবাইকে আইনের চোখে সমান বিবেচনা করে স্বাধীনভাবে বিচার করার জন্য ফরমান জারি করেছিলেন।
এছাড়া আদালত লর্ড ডেনিংয়ের হোয়াট নেক্সট ইন দি ল’ এবং সংসদের রেওয়াজ ও পদ্ধতি বিষয়ে পুরোধা কাউলের প্রাকটিস এন্ড প্রসিডিউর অব পার্লামেন্ট বই , ‘বচ্চন সিং বনাম ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া’ মামলায় ভারতীয় উচ্চ আদালত ও ‘ফারুক আহমেদ লেঘারি বনাম ফেডারেশন অব পাকিস্তান মামলা’য় পাকিস্তানের উচ্চ আদালতের রায়ের বরাত, টমাস হাক্সলে ও চার্লস ডিকেন্সকে উদ্ধৃত করেন।
রায়ে মূলত যে যুক্তি কাঠামোর ওপর আদালত নির্ভর করেছেন তা হচ্ছে; প্রথমত, সংসদের বিশেষ ক্ষমতা ও দায়মুক্তিমূলক সাংবিধানিক বিধানসহ সংবিধানের যেকোনো বিষয় ও সংসদের কার্যপ্রণালীর বিষয়ে চূড়ান্ত ব্যাখ্যার এখতিয়ার সুপ্রিম কোর্টের- সংসদের নয়। দ্বিতীয়ত, সেই এখতিয়ার প্রয়োগ করে সংবিধানের ৭৮ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যায় আদালত বলছেন, বিচারাধীন কোনো বিষয়ে মন্তব্য করার দায় থেকে অনুচ্ছেদ সংসদকে মুক্ত করে না। এবং সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি পর্যালোচনা করে আদালত রায়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের ও অন্যান্য বিচারকগন সংসদের সমালোচনা থেকে মুক্ত। তৃতীয়ত, সংসদের কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করে আদালত বলছেন- সংশ্লিষ্ট বিচারক সংসদের কোনো কার্যপ্রক্রিয়া বিষয়ে মন্তব্য করেননি, ফলে বিচারক সংবিধান লঙ্ঘন করেননি। এমনকি স্পিকারও তার রুলিংয়ে এটা উল্লেখ করতে পারেননি যে, সংশ্লিষ্ট বিচারক সংসদের কোন কার্যপ্রক্রিয়ার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন।
রায়ে বলা হয়, রাষ্ট্রের কোনো অঙ্গ যাতে সংবিধানে দেয়া তার ক্ষমতার সীমালঙ্ঘন না করে তা দেখার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত রয়েছে। বিশেষ অধিকারের সীমা সংবিধানের ৭৮ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে। এই ব্যাখ্যার ক্ষমতা একমাত্র সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ারাধীন। সংসদ তার এই বিশেষ অধিকার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত বিচারক হিসাবে নিজেকে দাবি করতে পারে না।
রায়ে বলা হয়, আমাদের আইন প্রণেতাদের নিঃসন্দেহে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু এই ক্ষমতা সংবিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং এই ক্ষমতা সংবিধানে দেয়া এখতিয়ারের মাধ্যমে প্রয়োগ করা যেতে পারে। সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ দ্বারা সুরক্ষিত। ক্ষমতার পৃথকীকরণ বিষয়ে ব্যাখ্যাকারীও বিচার বিভাগ।
আদালত বলেছে, সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ জনগণকে সার্বভৌম ক্ষমতা দিয়েছে। জনগণ সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। সংবিধানের সীমার মধ্যে থেকে সংসদকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
আদালত বলেন, ক্ষমতা, অধিকার ও দায়মুক্তির ক্ষেত্রে সংসদ যা করেছে এবং করতে পারে তার প্রতি আমাদের সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। কিন্তু আমাদেরকে আইনের কাঠামোতে বেঁধে দিতে হবে যে, এই ক্ষমতা যেন অপব্যবহার ও অপপ্রয়োগ না হয়।
রায়ে বলা হয়, আমরা ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতি গ্রহণ করেছি। আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের, নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার এবং বিচারিক ক্ষমতা আদালতের। তিনটি অঙ্গের প্রতিটি অন্য অঙ্গের বিষয়ে বিধান লক্ষ্য রেখে প্রত্যেককে স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে হবে। স্বাভাবিক কার্যপরিচালনার স্বার্থে একটি অঙ্গকে অপর অঙ্গ থেকে প্রাধান্য দেয়া যেতে পারে না। সংবিধান হচ্ছে এই তিনটি অঙ্গের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। প্রতিটি অঙ্গ তার কাজের ক্ষেত্রে নিজস্ব জায়গায় স্বাধীন। যদি কোনো অঙ্গ তার ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে তাহলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার বিচারিক বিবেচনার ক্ষমতা আদালতের ওপর ন্যস্ত করেছে। আইন প্রণেতাদের বিচারিক ক্ষমতা গ্রহণ অসাংবিধানিক।
আদালত বলেছে, বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তির উদ্দেশ্য হচ্ছে আইন প্রণেতাদের স্বাধীনতা। সংসদীয় গণতন্ত্রের কার্যকারিতার জন্য এই স্বাধীনতা প্রয়োজন।
দেশ ও এর জনগনের শাসনের ক্ষেত্রে সকল বিষয়ে আলোচনা ও বক্তব্য রাখার চূড়ান্ত অধিকার আইন প্রণেতা ও সংদস্যদের রয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে সংসদে বাক স্বাধীনতা সংসদীয় গণতন্ত্রের একটি অপরিহার্য বিষয়।
একইসঙ্গে আদালত বলেন, সংবিধানের ৯৪ (৪) অনুচ্ছেদ এবং কার্যপ্রণালী বিধি সংসদ সদস্যদের বাক স্বাধীনতার ওপর সীমা আরোপ করেছে।
আদালত বলেছে, এর মধ্যে একটি সীমা হচ্ছে, সংসদের ফ্লোরে বিচারাধীন কোনো বিষয়ে আলোচনা পরিহার করা উচিত যাতে করে বিচারের বাইরের কোন বিষয়ে আদালতের কার্যপ্রক্রিয়া প্রভাবিত না হয়। এটি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত নীতি যে, বিচারাধীন বিষয় সবসময় আলোচনার বাইরে।
সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি পর্যালোচনা করে আদালত রায়ের অভিমতে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের ও অন্যান্য বিচারকরা সংসদের সমালোচনা থেকে মুক্ত। বিচারকদের বিষয়ে সংসদের অপ্রত্যাশিত বিষয়ে আলোচনা করা যাবে না। বিচারিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে একজন বিচারকের আচরণ সংসদের বিবেচনাধীন বিষয় হতে পারে না। সংবিধান ও কার্যপ্রণালী বিধির বিধান অবজ্ঞা করে এ ধরণের আলোচনা বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে।
আদালত বলেছে, স্পিকারের রুলিংয়ে এমন কিছু দেখা যায় না যে, বিচারক সংসদের কোনো কার্যপ্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করে তার আদালতে বা কোন আদালতে কোনো প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকি সংসদের কার্যপ্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করে কোনো মামলা দায়ের বা বিচারাধীন থাকার বিষয়টি স্পিকার তার রুলিংয়ে বলেননি। সুতরাং সংবিধানের ৭৮(১) অনুচ্ছেদের কোনো লঙ্ঘন হয়নি। সড়ক ভবনের মামলায় সংসদের কোনো কার্যপ্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করা হয়নি।
তবে আদালত বলেন, সংসদের যেই কার্যপক্রিয়া চরম বেআইনি ও অসাংবিধানিক তা বিচারিক নিরীক্ষার বাইরে নয়। সিদ্ধান্ত, আদেশ, অভিমত, উপসংহার সীমিত ক্ষেত্রে বিচারিক বিবেচনার আওতাধীন। সুপ্রিম কোর্ট তার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অযৌক্তিক কার্যপক্রিয়া বাতিল করতে দ্বিধাবোধ করবে না।
একইসঙ্গে আদালত বলেন, কিন্তু সংসদের কার্যপ্রণালী বিষয়ে বিচারিক বিবেচনা সীমিত।
আদালত সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পর্যালোচনা করে বলেছে, সংবিধানের ৯৬ (৫) অনুচ্ছেদ মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বা অন্য কোনো সূত্র থেকে এই তথ্য পেয়ে যে একজন বিচারক শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে তার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে অযোগ্য হয়ে পড়তে পারেন বা গুরুতর অসদাচারণের জন্য দোষী হতে পারেন সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কাউন্সিলকে বিষয়টি সম্পর্কে তদন্ত করতে এবং এর তদন্ত ফল জানানোর জন্য নির্দেশ দিতে পারেন। কাউন্সিল যদি তদন্তে এই অভিমত ব্যক্ত করেন যে ওই বিচারক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য হয়েছেন বা গুরুতর অসদাচরণের জন্য দোষী হয়েছেন তাহলে রাষ্ট্রপতি ওই বিচারককে তার পদ থেকে অপসারণ করবেন। কিন্তু আলোচ্য ক্ষেত্রে এরকম কোনো পরিস্থিতি নেই।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন