Desh News : দৈনিক আমাদের সময়ের প্রকাশনা নিয়ে নাঈমুল ইসলাম খানের রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। প্রকাশক হিসাবে সৈয়দ মোহাইমেন বক্স কল্লোলের এ পত্রিকা প্রকাশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, নাঈমা হায়দার ও মোস্তফা জামান ইসলামের বৃহত্তর বেঞ্চ এ রায় দেন। রায়ে আমাদের সময়ের প্রকাশনা নিয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশই ‘সঠিক’ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।
আদালতে নাঈমুল ইসলাম খানের পে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আকতার ইমাম। তাকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম ও ব্যারিস্টার রেশাদ ইমাম। এমএম বক্স কল্লোলের পে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক উল হক, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। তাদেরকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট মো. আবু তালেব।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পে শুনানিতে থাকা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এমকে রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “আদালত বলেছে, ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন-১৯৭৩ অনুসারে এসএম বক্স কল্লোলের প্রকাশনা বৈধ। নাঈমুল ইসলাম খানের পদত্যাগও সঠিকভাবে হয়েছে। আজকের এই আদেশের মাধ্যমে আমাদের সময়ের প্রকাশনা, মালিকানা, সম্পাদনা কোনো কিছুতেই নাঈমুল ইসলাম খান আর নাই।’
গতবছর ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) দেওয়া এক আদেশ অনুযায়ী এসএম কল্লোল আমাদের সময়ের প্রকাশক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ওই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাঈমুল ইসলাম খান একটি রিট আবেদন করলে হাই কোর্ট গত ১৬ জানুয়ারি তা স্থগিত করে দেয়। একইসঙ্গে হাই কোর্ট নাঈমুলকে বাদ দিয়ে কল্লোলকে আমাদের সময়ের প্রকাশক করার আদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে। আদালতের ওই আদেশের পর ১৭ জানুয়ারি আবার নাঈমুল ইসলাম খানের প্রকাশনায় আমাদের সময় প্রকাশিত হতে শুরু করে।
আমাদের সময়ের আগেও আরো দুটি দৈনিক পত্রিকা নাইমুল ইসলাম খানের হাত ধরে প্রকাশিত হয়। দুই টাকায় আট পৃষ্ঠার দৈনিক আমাদের সময়ের মালিকানা হস্তান্তরের পরও তিনি এর সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন। তবে প্রকাশনা নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরুর পর মোজাম্মেল হোসেনের সম্পাদনায় প্রকাশ হচ্ছিল পত্রিকাটি।
আদালতে নাঈমুল ইসলাম খানের পে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আকতার ইমাম। তাকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম ও ব্যারিস্টার রেশাদ ইমাম। এমএম বক্স কল্লোলের পে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক উল হক, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। তাদেরকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট মো. আবু তালেব।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পে শুনানিতে থাকা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এমকে রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “আদালত বলেছে, ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন-১৯৭৩ অনুসারে এসএম বক্স কল্লোলের প্রকাশনা বৈধ। নাঈমুল ইসলাম খানের পদত্যাগও সঠিকভাবে হয়েছে। আজকের এই আদেশের মাধ্যমে আমাদের সময়ের প্রকাশনা, মালিকানা, সম্পাদনা কোনো কিছুতেই নাঈমুল ইসলাম খান আর নাই।’
গতবছর ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) দেওয়া এক আদেশ অনুযায়ী এসএম কল্লোল আমাদের সময়ের প্রকাশক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ওই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাঈমুল ইসলাম খান একটি রিট আবেদন করলে হাই কোর্ট গত ১৬ জানুয়ারি তা স্থগিত করে দেয়। একইসঙ্গে হাই কোর্ট নাঈমুলকে বাদ দিয়ে কল্লোলকে আমাদের সময়ের প্রকাশক করার আদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে। আদালতের ওই আদেশের পর ১৭ জানুয়ারি আবার নাঈমুল ইসলাম খানের প্রকাশনায় আমাদের সময় প্রকাশিত হতে শুরু করে।
আমাদের সময়ের আগেও আরো দুটি দৈনিক পত্রিকা নাইমুল ইসলাম খানের হাত ধরে প্রকাশিত হয়। দুই টাকায় আট পৃষ্ঠার দৈনিক আমাদের সময়ের মালিকানা হস্তান্তরের পরও তিনি এর সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন। তবে প্রকাশনা নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরুর পর মোজাম্মেল হোসেনের সম্পাদনায় প্রকাশ হচ্ছিল পত্রিকাটি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন