Desh News: পুলিশের হয়রানি ও ঠিকাদারদের লাগামহীন চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সরকারি সার উত্তোলন ও পরিবহণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন নগরীর মাঝিরঘাট কার্যালয়ে এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়।
চাঁদাবাজি বন্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া না হলে তারা সার উত্তোলন ও পরিবহন করবে না বলেও হুমকি দেন ।
এতে চট্টগ্রাম, তিন পার্বত্য জেলা, কঙবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরসহ আরো কয়েকটি জেলায় সার পরিবহণ বন্ধ হয়ে গেছে।
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ খান মাহবুব জানান, মঙ্গলবার ডিলাররা প্রথমে টিএসপি কারখানার সার উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ করেন। বুধবার থেকে সিইউএফএল এবং ডিএপি সার কারখানার সার উত্তোলন এবং পরিবহনও বন্ধ করবে বলে জানান। ঠিকাদারের লোকজন গত ১আগস্ট থেকে আমাদের ট্রাক আটকে ৫শত টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে বাধ্য করেছে। এ অবস্থায় সার উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আর উপায় নেই। এছাড়া পথে পথে পুলিশি হয়রানি ও চাঁদাবাজিতো আছেই।
অ্যাসোসিয়েশনের সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে বর্তমানে প্রায় এক হাজার সারের ডিলার আছেন। বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা থেকে সরাসরি সার সরবরাহের পাশাপশি নগরীর মাঝিরঘাটে এসব কারখানার গুদাম থেকেও সার সরবরাহ করা হয়। আবার মাঝিরঘাটে অনেক ডিলারেরও গুদাম আছে। ডিলাররা সার উত্তোলনের পর মাঝিরঘাট থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে এসব সার পরিবহণ করেন।
ডিলারদের অভিযোগ, সার নিয়ে যাবার পথে পুলিশ ট্রাক আটকে বিভিন্ন ছুতায় তাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন। সিইউএফএল কারখানায় ট্রাক ঢোকানোর পর মেসার্স সাউথ ট্রেডিং কর্পোরেশনের মালিক আব্দুল আজিজ সওদাগরের লোকজন সরকারি দলের নেতাদের নাম ভাঙিয়ে তাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন