১২জানুয়ারি থেকে ঢাকায় হয়ে গেল ‘কিউবি ল্যাপটপ ফেয়ার ২০১২’। রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক সোঁনারগাও হোটেলে সকাল দশটা থেকে এ মেলা শুরু হয়। দুপুর ১২ টায় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মেকার কমিউনিকেশন দেশে দশমবারের মতো এ মেলার আয়োজন করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কিউবি এর ব্র্যান্ড এন্ড কমিউনিকেশন প্রধান জনাব সৈয়দ আশিকুর রহমান, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ জনাব মো¯Íাফা জব্বার, জনাব মুনির হাসান এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব শহিদুল মুনির।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশের প্রযুক্তিপ্রেমীদের অন্যতম বন্ধু স্থপতি ইয়াফেস ওসমান তার বক্তব্যের শুরুতেই সবাইকে অনেক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন আমরা দায়িত্ব নেবার পূর্বেই ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েছিলাম। কিন্তু ÿমতায় এসে কাজ শুরু করার কোন উৎসই পাইনি । তবে আমরা বিশ্বাস করতাম : “দশে মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ”। মূলত আমরা এ জন্যই এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি। তিনি বলেন বর্তমানে আমি আইসিটি মন্ত্রণালয় থেকে দূরে সরে গেলেও এ বিষয়ে একটি ঝোক আমার মনে সবসময় থাকে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রযুক্তি পৌঁছে দেবার জন্য সকল শ্রেণী পেশার লোকের সাথে আমার কর্মতৎপরতা অব্যাহত থাকবে। যারা ইন্টারনেটে কাজ করে তারা বিশ্ব নাগরিক, আর তাদের দমিয়ে রাখা যাবে না। তিনি কবিতা করে বলেন, “সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার আর হিউম্যানওয়্যার, তিনে মিলে হয় বিজয়, মানুষই আসল তব নইলে সব অপচয়”। দেশে প্রযুক্তির জয়গান এখন গাইছে তরুণ প্রজন্ম। তিনি বলেন, আমরা যা চিন্তাও করতে পারি না, তরুনরা এখন তা ভাবছে এমনকি করেও দেখাচ্ছে। তাদের সুযোগ করে দিতে হবে। দেশে প্রযুক্তির ÿেত্রে যে জোয়ার বইছে তা উলেøখ করে তিনি বলেন, এ দেশে ই-এশিয়া প্রমাণ করেছে যে-দেশ প্রযুক্তিতে বিশ্বাস করে, আমাদের আছে আগ্রহ ও সদিচ্ছা। আমরা এটা নিয়েই জয় করবো। সবশেষে তিনি মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করে তার শুভ কামনা করেন এবং শেষ করেন এভাবে “তথ্য প্রযুক্তির ÿেত্রে দেশ এগিয়ে চলছে বেশ কিউবি ল্যাপটপ ফেয়ার স্বার্থক হোক, সাবাশ বাংলাদেশ”।
স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, দেশে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্র দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে, তরুণ প্রজন্মই এ এগিয়ে যাওয়াকে আরোও তরান্বিত করতে পারে। এজন্য আমরা সরকারের পক্ষ থেকে তরুণদের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছি। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে ল্যাপটপ বিক্রির হার অনেক বেড়েছে, এজন্য কিউবি ল্যাপটপ মেলার মতো আয়োজনকে সরকারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।
দেশে এখন প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার ঘটেছে, যার প্রমাণ এই একটি প্রোডাক্ট কেন্দ্রিক মেলা-শহীদুল মুনীর
মেলার অন্যতম আকর্ষণ শহীদুল মুনীর তার সংÿিপ্ত বক্তব্যের শুরুতেই সবাইকে ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, দেশে এখন প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার ঘটেছে, যার প্রমাণ এই একটি প্রোডাক্ট কেন্দ্রিক মেলা। তিনি মেলার সাফল্য ব্যক্ত করে তার বক্তব্য শেষ করেন।
সা¤প্রতিক কয়েক বছরে ঢাকায় ল্যাপটপ বিক্রি লক্ষনীয় হারে বেড়েছে, কিউবি ল্যাপটপ মেলা’র এতে অনেক অবদান রয়েছে -সৈয়দ আশিকুর রহমান, কিউবি এর ব্র্যান্ড এন্ড কমিউনিকেশন প্রধান সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, এবার নিয়ে তৃতীয়বারের মতো ল্যাপটপ মেলার পৃষ্ঠপোষকতা করছে কিউবি। সা¤প্রতিক কয়েক বছরে ঢাকায় ল্যাপটপ বিক্রি লক্ষনীয় হারে বেড়েছে, কিউবি ল্যাপটপ মেলা-র এতে অনেক অবদান রয়েছে। এবারের মেলায় কিউবি মাসিক প্যাকেজ সহ প্রতিটি মডেমের সঙ্গে একটি শীতের জ্যাকেট উপহার দিবে। শুধুমাত্র ‘কিউবি ল্যাপটপ ফেয়ার ২০১২’ -এ সুবিধাটি পাওয়া যাবে। কিউবির পÿ থেকে আসা জনাব আশিকুর রহমান তার বক্তব্যের শুরুতেই এরকম একটি ফেয়ারে উপস্থিত হতে পেরে অনেক আনন্দ প্রকাশ করেন। সেই সাথে প্রযুক্তির এই আহবানে সবাইকে সাড়া দেবার জন্য অতিথিসহ অন্যান্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, দেশের প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় এরকম আয়োজন আরো বেশী হওয়া প্রয়োজন। কারণ বর্তমান সময়ে ল্যাপটপের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১০.১৫%। কিউবিই প্রথম দেশে ৪জি ওয়াইম্যাক্স চালু করেছে উলেøখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে তাদের নেটওয়ার্ক ঢাকা, চট্রগ্রাম, সিলেটসহ অনেক স্থানেই অনেক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশে বর্তমানে ২৫ টির অধিক স্টোর হাউজ আছে উলেøখ করে তিনি বলেন, কিউবিই প্রথম দেশে ৫০০ টাকার নিচে ইন্টারনেট ইউজেস প্যাকেজ নিয়ে এসেছে। কিউবি এখন দেশে ২০-২৫% ব্যান্ডউই থ ব্যবহার করছে। দেশে এখন ব্যাপকভাবে তাদের ইন্টারনেট ব্যবহৃত হচ্ছে বলে তিনি উলেøখ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, কিউবি ব্যাপকভাবে এখন যেমন সেবা দিয়ে যাচ্ছে, ভবিষ্যতেও তেমন করে যাবে।
২০১১ সালে শুধু নোটবুক, ইপিসি বিক্রি হয়েছে ২ লাখের বেশি – জনাব মুনির হাসান
জনাব মুনীর হাসান তার বক্তব্যের শুরুতেই সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, গত ল্যাপটপ ফেয়ারে ল্যাপটপ এর বিক্রি ছিল ৫১০০০, আর এবারতো ফেয়ার উদ্বোধনের পূর্বেই ল্যাপটপ বিক্রি শুরু হয়ে গেছে। গত ২০০৯ সালের জুলাইতে বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী ছিল ৯৬০০০, যা বর্তমানে ২২ লÿ। বর্তমানে ফিল্যান্সসারদের আয় ১৪ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে। দেশে এখন প্রতিদিন একবার মানুষের নূন্যতম ২০০ টাকা আয়ের অনলাইন বেজড ব্যবস্থা তৈরী হচ্ছে। দেশের জন্য তৈরী হচ্ছে মন¯Íাত্তিক ভাব বুজার ডিভাইস। তিনি দেশের প্রযুক্তির এতসব উৎকর্ষতা প্রকাশ করে তাকে বাড়িয়ে দেবার জন্য সকল ¯Íরের আন্তরিকতা কামনা করেন। সবশেষে তিনি একটি কবিতার মাধ্যমে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন: ‘মানুষ আসল তবু নইলে সব অপচয়’। জনাব মুনির হাসান তার বক্তব্যে দেশে সা¤প্রতিক কয়েক বছরের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০০৮ সালে সারা বছরে মাত্র ৪৮ হাজার ল্যাপটপ বিক্রি হয়েছিল। আর সর্বশেষ ২০১১ সালে শুধু নোটবুক, ইপিসি বিক্রি হয়েছে ২ লাখের বেশি! ট্যাবলেট কম্পিউটার গুলোর বিক্রি এ হিসাবে ধরা ই হয়নি।
ট্যাবলেট পিসি আবার ল্যাপটপের বাজার নিয়ে নিচ্ছে
-মো¯Íফা জব্বার
বাংলাদেশের প্রযুক্তির আকাশের অন্যতম জ্বলজ্বলে নÿত্র দেশীয় প্রযুক্তির প্রানভোমরা তার বক্তব্যের শুরুতেই সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান। এরপর তিনি দেশের প্রযুক্তির ইতিহাস টেনে বলেন, পূর্বে যেখানে ডেক্সটপই ছিল সব প্রযুক্তির আকর্ষণ এখন সেখানে ল্যাপটপ এসেছে। তিনি বলেন, ট্যাবলেট পিসি আবার ল্যাপটপের বাজার নিয়ে নিচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো আমরা এরকম ফোন যন্ত্রের জয়জয়কার পাবো, যা আমাদের মনোভাব বুঝতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশনের কথা উলেøখ করে তিনি বলেন, দেশ প্রযুক্তির ÿেত্রে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। দেশের ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে এখন ডিজিটাল কেচ ফাইলিং এর ব্যবস্থা হচ্ছে। তিনি বলেন, কাগজপত্রের ছড়াছড়ি বাদ দিয়ে এখন কম্পিউটারই জনগনের পরম বন্ধু। পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এখন ডিজিটালাইজড হচ্ছে। এখানে এখন সব কাজ কম্পিউটারে হচ্ছে। তিনি বলেন, ১ কোটি ৪০ লÿ টাকা ব্যয়ে এখন দেশে ডিজিটাল নথি বিন্যাস হচ্ছে। ল্যাপটপ বাজারের জয়জয়কার উলেøখ করে তিনি বলেন, দেশে এখন ল্যাপটপের জন্য আলাদা মার্কেট আছে। তিনি সকল সম্ভাবনার এ দেশে দÿ মানবগোষ্ঠি ও এ গোষ্ঠি সৃস্টির জন্য যথোপযুক্ত ট্রেনিং এর প্রয়োজন অনুভব করে প্রধান অতিথিসহ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সকল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তিনি এ দেশে প্রযুক্তির স্বর্নশিখা জ্বালানোর আহবান জানিয়ে তরি বক্তব্য শেষ করেন।
বিদ্যুত না থাকলেও ল্যাপটপে কাজ করার সুবিধা থাকায় সবাই এখন ডেস্কটপের বদলে ল্যাপটপকেই বেছে নিচ্ছেন – মেলার সমন্বয়ক ফাবিয়ান খান
মঞ্চে আসন গ্রহণের পরপরই মিষ্টি কন্ঠে মাইক্রোফোনের সামনে ডাক আসে জনাব ফারিয়ান খান এর। তিনি তার বক্ত্যব্যের শুরুতে এরকম একটি আয়োজন আবারো শুরু হলো বলে সন্তুষ্টি ও আনন্দ প্রকাশ করেন। সেই সাথে আগত অতিথিদের সময় করে অনুষ্ঠানে আসার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন মেকার’স দেশে দশমবারের মতো এরকম বড় কোন আয়োজন করছে। এছাড়া তিনি নতুন এ ভেন্যুতে সবাইকে স্বাগত জানান। সবশেষে তিনি মেলাতে এসে সবাইকে প্রযুক্তির অন্যতম আকর্ষন ল্যাপটপ -এ বিভিন্ন রকমের উপভোগ করার আহবান জানিয়ে এবং আগত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন। মেলার সমন্বয়ক ফাবিয়ান খান জানান, মেলাকে সফল করার জন্য, সাধারণ দর্শনার্থীদের সর্বশেষ প্রযুক্তিপণ্য প্রদর্শণ এবং বিশেষ ছাড়ে কেনার সুযোগ রয়েছে এবারের মেলায়। এবার বেশকিছু ব্র্যান্ড মেলায় নতুন মডেলের ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে।
আয়োজকরা বলেন, বিগত চার বছরে ঢাকায় ৬ টি এবং চট্টগ্রামে তিনটি সফল ল্যাপটপ মেলার পর এটি মেকার কমিউনিকেশনের আয়োজনে দেশে দশম ল্যাপটপ মেলা। ল্যাপটপ দিনে দিনে দেশের মধ্যবিত্ত জনসাধারনের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসছে। এছাড়া বিদ্যুত না থাকলেও ল্যাপটপে কাজ করার সুবিধা থাকায় সবাই এখন ডেস্কটপের বদলে ল্যাপটপকেই বেছে নিচ্ছেন। আমাদের আয়োজিত প্রতিটি ল্যাপটপ মেলায় দর্শনার্থীদের ভীড়, প্রচুর ল্যাপটপের বিক্রি এবং ক্রেতাদের বিপুল আগ্রহ অন্তত তাই প্রমাণ করে। এবারের মেলায় আরও বেশি ল্যাপটপ বিক্রি হবে বলে আশা করা যায়।
মেলার প্রথম দিনেই সাধারণ দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। শিক্ষার্থী-কর্মজীবি থেকে শুরু করে সকল পেশার মানুষ এসেছেন মেলায়। তবে দিনভর তরুন-তরুনীদের ভীড়ই ছিল বেশি।
কিউবি এ বছরের ল্যাপটপ মেলার টাইটেল স্পন্সর। আর সহ-পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে এসার, আসুস, এইচপি এবং স্যামসাং। মেলার সব আপডেট সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেইসবুকে পাওয়া যাচ্ছে। িি.িভধপবনড়ড়শ.পড়স/ছঁনববখধঢ়ঃড়ঢ়ঋধরৎ পেইজে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে ১০ জন বিজয়ীকে বিশেষ পুরস্কার দেয়া হবে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।
এবারের মেলায় ১২ টি প্যাভিলিয়ন ও ৬০ টি স্টলে কিউবি, এইচপি, স্যামসাং, কম্পিউটার সোর্স, স্মার্ট, গেøাবাল ব্র্যান্ড, স্টারটেক ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার ভিলেজ, এক্সিকিউটিভ টেকনোলজিস, রিশিত কম্পিউটার, এক্সেল টেকনোলজিস, আরএম সিস্টেমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
এসব প্রতিষ্ঠানে বিশেষ মূল্যছাড়ে আসুস, তোশিবা, এইচপি, গেটওয়ে, স্যামসাং, ডেল, ফুজিৎসু, প্রোলিংক, অ্যাপল, এসার, এমএসআই, কমপ্যাক, গিগাবাইট সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে। মেলায় আজ এবং আগামীকাল বেশ কয়েকটি নতুন মডেলের ল্যাপটপ উšে§াচিত হবে।
১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। প্রবেশমূল্য ২০ টাকা। প্রবেশ টিকিটের উপরে র্যাফল ড্রয়ের মাধ্যমে ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোন সহ বিভিন্ন পুরস্কার দেয়া হবে।